সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আসন্ন বাজেটেই এই নতুন বেতন কাঠামোর জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন কমিটির তিন ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশে সম্মতি দেওয়ায় এখন নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতনের ৫০ শতাংশ প্রথম ধাপে বৃদ্ধি করা হবে। তবে এই পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বর্তমানের বিশেষ সুবিধাগুলো বাতিল হয়ে যাবে। এই সমন্বয়ের ফলে সামগ্রিকভাবে বেতন বৃদ্ধির হার ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীরা তাদের সুপারিশকৃত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ সুবিধা গ্রহণ করবেন। দ্বিতীয় ধাপে পরবর্তী অর্থবছরে অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ কার্যকর হবে। এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে ভাতা অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে নবম পে স্কেলের পূর্ণাঙ্গ কাঠামো বাস্তবায়িত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী নতুন অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হতে পারে। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামোর বিস্তারিত রূপরেখা এবং কেন এই বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াটি তিন ধাপে সম্পন্ন করা হচ্ছে, সেটির যৌক্তিকতা তুলে ধরবেন। সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে সরকারের এই উদ্যোগটি প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

