শনিবার,

৩১ অক্টোবর ২০২৬,

১৬ কার্তিক ১৪৩৩

শনিবার,

৩১ অক্টোবর ২০২৬,

১৬ কার্তিক ১৪৩৩

Radio Today News

সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার সঙ্গে ফলাফল তুলে ধরার চেষ্টা করেছি: শিক্ষামন্ত্রী

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২১:২৯, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ২১:২৯, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

Google News
সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার সঙ্গে ফলাফল তুলে ধরার চেষ্টা করেছি: শিক্ষামন্ত্রী

সদ্য প্রকাশিত এইচএসসির ফলাফল নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার সঙ্গে ফলাফল তুলে ধরার চেষ্টা করেছি আমরা। এবারের পাসের হার আমাদের উদ্বিগ্ন করেছে। আমরা চাই, প্রতিটি শিক্ষার্থী ভালোভাবে শেখার সুযোগ পাবে, ন্যায্য মূল্যায়ন পাবে এবং পিছিয়ে পড়লে আবার এগিয়ে যাওয়ার সহায়তা পাবে।

শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়েই এই দায়িত্ব পালন করতে চাই। আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি নিচে তুলা ধরা হলো—

আজ যারা পাস করেছ, তোমাদের সবাইকে অভিনন্দন। এই ফলের পেছনে শুধু তোমাদের নিজেদের পরিশ্রম নেই সঙ্গে আছে তোমাদের শিক্ষকদের যত্ন আর পরিবারের সাপোর্ট।

আর যারা এবার প্রত্যাশিত ফল পাওনি, তোমাদের বলব, মন খারাপ হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে এই সময়ে নিজেকে একা ভেবো না। পরিবারের সঙ্গে, শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলো। একটি পরীক্ষার ফল দিয়ে তোমার সবটুকু যোগ্যতা বোঝা যায় না, ভবিষ্যৎও নির্ধারিত হয়ে যায় না। একটু সময় নাও, নিজের ওপর বিশ্বাস রেখো। আবার এগিয়ে যাওয়ার পথে আমরা তোমাদের পাশে আছি।

এবারের ফলাফল সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার সঙ্গে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি আমরা। পাসের হার আমাদের উদ্বিগ্ন করেছে। একই সঙ্গে এই ফল শিক্ষার্থীদের শেখার অর্জন ও ঘাটতি সম্পর্কে একটি বাস্তব চিত্র সামনে এনেছে। এই ঘাটতি কাটিয়ে কীভাবে শিক্ষার মান বাড়ানো যায় এবং শিক্ষার্থীদের আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করা যায়, সেটিই এখন আমাদের লক্ষ্য।

কম পাসের হার আমাদের অর্জন নয়। আমাদের সাফল্য হবে, যখন শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে শিখে, আত্মবিশ্বাস নিয়ে পরীক্ষা দিয়ে, নিজের যোগ্যতায় ভালো ফল করবে।

শুধু শিক্ষার্থীদের ওপর দায় চাপিয়ে আমাদের দায়িত্ব শেষ হতে পারে না। শ্রেণিকক্ষে যথাযথ পাঠদান হচ্ছে কি না, তারা প্রয়োজনীয় সহায়তা পাচ্ছে কি না, প্রশ্নপত্র ও মূল্যায়ন যথাযথ হচ্ছে কি না-সবই গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করতে হবে। পরীক্ষায় সততা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভালোভাবে শেখার সুযোগ নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব।

এবার এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন পরীক্ষার্থীকে এক মাসের মধ্যে কেবল ওই বিষয়গুলোয় আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। একটি বা দুটি বিষয়ের জন্য দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা করার পরিবর্তে তারা যেন প্রস্তুতি নিয়ে দ্রুত আবার চেষ্টা করতে পারে, সেই সুযোগ আমরা তৈরি করছি।

শিক্ষকদের কাছে অনুরোধ, এই সময়ে শিক্ষার্থীদের কোথায় অসুবিধা হচ্ছে, তা বুঝে প্রস্তুতিতে সাহায্য করুন। অভিভাবকদের বলব, সন্তানের কথা শুনুন, অন্যের সঙ্গে তুলনা না করে তাকে আশ্বস্ত করুন। সে যেন অনুভব করে, ফল যা-ই হোক, পরিবারের কাছে তার ভালোবাসা ও সম্মানের জায়গাটি অটুট আছে।

আমরা চাই, প্রতিটি শিক্ষার্থী ভালোভাবে শেখার সুযোগ পাবে, ন্যায্য মূল্যায়ন পাবে এবং পিছিয়ে পড়লে আবার এগিয়ে যাওয়ার সহায়তা পাবে। শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়েই এই দায়িত্ব পালন করতে চাই।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের