আমেরিকার বাল্টিমোরে ‘জিয়াউর রহমান সড়ক’র উদ্বোধন

শনিবার,

২৫ জুলাই ২০২৬,

৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

শনিবার,

২৫ জুলাই ২০২৬,

৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

Radio Today News

আমেরিকার বাল্টিমোরে ‘জিয়াউর রহমান সড়ক’র উদ্বোধন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:৫৮, ২১ জুন ২০২১

Google News
আমেরিকার বাল্টিমোরে ‘জিয়াউর রহমান সড়ক’র উদ্বোধন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড স্টেটের বাল্টিমোর সিটির ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্ট কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর নামে ‘ZIAUR RAHMAN WAY’ নামে একটি সড়কের নামকরণ করেছে। যা গত গত রোববার (১৯ জুন) বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটি মেরিল্যান্ড আয়োজিত একটি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে শতশত প্রবাসী বাংলাদেশির উপস্থিতিতে সড়কের উদ্বোধন করা হয়।জিয়াউর রহমানের নামে সড়কটির ফলক উম্মোচন করেন মেরিল্যান্ড স্টেট ডেলিগেট রবিন টি লুইস। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভার্চূয়ালি যোগ দেন জিয়াউর রহমানের বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মেরিল্যান্ড হাউস মেম্বার ডেলিগেট রবিন টি লুইস, ডেলিগেট হ্যারি ভেন্ডারি, গভর্নর অফিসের কমিশনার ড. স্যাম কারকি, মেয়র অফিসের প্রতিনিধি রবার্ট জ্যাকসন, স্থানীয় মূলধারার রাজনীতিক গভর্নর অফিসের সাবেক কমিশনার আনিস আহমেদ, ওয়াসিংটন ভিত্তিক অধিকার সংস্থা রাইট টু ফ্রিডমের নির্বাহী পরিচালক ও জাতিসংঘ সংবাদদাতা মুশফিকুল ফজল আনসারি প্রমুখ।

বিএনপি নেতারা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমনিভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধে লড়াই করে নেতৃত্ব দিয়ে দেশের চুড়ান্ত বিজয় নিশ্চিত করেছিলেন, তেমনিভাবে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করে বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বিশ্বের বুকে পরিচিতি করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং পরবর্তীতে তিনি তা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। একদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে তিনি বহুদলীয় রাজনীতি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

বাল্টিমোর সিটির সড়কটিকে ‘জিয়াউর রহমান ওয়ে’ নামকরণ করায় সিটি কর্তৃপক্ষকে নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা জানায় বিএনপি নেতারা। তারা বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের কুটনৈতিক সম্পর্ক এক অনন্য উচ্চতায় স্থাপিত হয়েছিল। পারস্পরিক সহযোগিতা ছাড়াও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দুই দেশ সে সময়ে যুগপৎ ভুমিকা পালন করে। তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ও বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় যে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেছেন তা আজো সকলে শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করে।

সড়কের নামফলক উদ্ভোধক রবিন টি লুইস বলেন, বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে সম্মান জানাতে পেরে বাল্টিমোরবাসী অত্যন্ত আনন্দিত। শহীদ জিয়াকে আন্তর্জাতিক নায়ক উল্লেখ করে স্থানীয় এই জনপ্রতিনিধি বলেন, তাকে সম্মান জানানোর অর্থ হচ্ছে- গণতন্ত্রের প্রতি, মানুষের অধিকারের প্রতি সম্মান জানানো।

ডেলিগেট হ্যারি ভেন্ডারি বলেন, আজকের এই আনন্দ কেবল বাংলাদেশি কমিউনিটির নয় সমগ্র এশিয়ান কমিউনিটির। এই শহরে প্রেসিডেন্ট জিয়ার নামে যে সড়কের ফলক উম্মোচিত হলো তা চির অম্লান থাকবে এবং মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির আরো ব্যাপক অংশগ্রহণ কামনা করেন।

মুশফিকুল ফজল আনসারি ১৯৮১ সালে প্রকাশিত ওয়াসিংটন পোস্ট এবং জিয়াউর রহমানের শাহাদতের পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিগ্যান প্রেরিত শোকবার্তা উল্লেখ করে বলেন, জিয়াউর রহমান তার কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে বাংলাদেশের নেতা থেকে বিশ্ব নেতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে দেশকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে যাওয়ার রাস্তা তৈরী করেছিলেন এবং একইভাবে বিশ্ব শান্তি ও সৌহার্দ প্রতিষ্ঠায় এক দেশ থেকে আরেক দেশ ছুটে গেছেন।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা জিল্লুর রহমান জিল্লু, মিজানুর রহমান ভুইয়া মিল্টন, গিয়াস আহমেদ, শরাফত হোসেন বাবু, মোস্তফা কামাল পাশা, জসিম উদ্দিন ভুইয়া, আব্দুস সবুর প্রমুখ বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের