ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসা বিদেশি প্রতিনিধিদের সামনে পবিত্র কোরআন থেকে ভিন্ন ভিন্ন আয়াত তেলাওয়াত করা হয়েছে। এর মধ্যে সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলের জন্য সুরা আল ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত তেলাওয়াত করা হয়, যা ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে।
শুক্রবার আয়োজিত শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আল-খেরেজি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য বিদেশি প্রতিনিধিদেরও পৃথক পৃথক কোরআনের আয়াত শোনানো হয়।
সুরা আলে ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াতে বদর যুদ্ধের প্রসঙ্গ উল্লেখ রয়েছে, যেখানে ঈমানদার ও অবিশ্বাসীদের মধ্যকার সংঘর্ষ এবং আল্লাহর সাহায্যে মুমিনদের বিজয়ের কথা বর্ণনা করা হয়েছে।
ইরানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি প্রতিনিধিদলের সামনে এই নির্দিষ্ট আয়াত তেলাওয়াতের মাধ্যমে ইরান সম্ভবত একটি প্রতীকী বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তবে এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই আয়াত নির্বাচনের পেছনে কূটনৈতিক তাৎপর্য খুঁজছেন, যদিও বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসা বিদেশি প্রতিনিধিদের সামনে পবিত্র কোরআন থেকে ভিন্ন ভিন্ন আয়াত তেলাওয়াত করা হয়েছে। এর মধ্যে সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলের জন্য সুরা আল ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত তেলাওয়াত করা হয়, যা ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে।
শুক্রবার আয়োজিত শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আল-খেরেজি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য বিদেশি প্রতিনিধিদেরও পৃথক পৃথক কোরআনের আয়াত শোনানো হয়।
সুরা আলে ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াতে বদর যুদ্ধের প্রসঙ্গ উল্লেখ রয়েছে, যেখানে ঈমানদার ও অবিশ্বাসীদের মধ্যকার সংঘর্ষ এবং আল্লাহর সাহায্যে মুমিনদের বিজয়ের কথা বর্ণনা করা হয়েছে।
ইরানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি প্রতিনিধিদলের সামনে এই নির্দিষ্ট আয়াত তেলাওয়াতের মাধ্যমে ইরান সম্ভবত একটি প্রতীকী বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তবে এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই আয়াত নির্বাচনের পেছনে কূটনৈতিক তাৎপর্য খুঁজছেন, যদিও বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

