সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে দুপক্ষের সংঘর্ষে কিশোর নিহত

শনিবার,

০৪ জুলাই ২০২৬,

২০ আষাঢ় ১৪৩৩

শনিবার,

০৪ জুলাই ২০২৬,

২০ আষাঢ় ১৪৩৩

Radio Today News

সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে দুপক্ষের সংঘর্ষে কিশোর নিহত

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৯:২৩, ৪ জুলাই ২০২৬

Google News
সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে দুপক্ষের সংঘর্ষে কিশোর নিহত

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে কিশোরদের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নাঈম মোল্লা (১৬) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুই কিশোর আহত হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আগানগর ইউনিয়নের আমবাগিচা এলাকার ডিপজলের গলিতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহত নাঈম মোল্লা মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ গ্রামের মজিদ মোল্লার ছেলে। সে পরিবারের সাথে আমবাগিচা পানির ট্যাংকি এলাকায় বসবাস করতেন। একটি প্যান্ট তৈরির কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন নিহত নাঈম।

আহতরা হলেন- রবিন (১৬) ও তাজ (১৭)। আহতদের মধ্যে তাজকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব বিরোধ ও সিনিয়র জুনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে শুক্রবার দিবাগত রাতে সংঘর্ষে জড়ায় কিশোরদের দুই পক্ষ। এসময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নাঈম মোল্লা গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

একই ঘটনায় আহত রবিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এছাড়া প্রতিপক্ষের তাজ (১৭) গুরুতর আহত হলে তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার মূল বিরোধ ছিল তাজ ও রবিনের মধ্যে। গত রমজান মাসে তারাবির নামাজকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে প্রথম দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। কয়েকদিন আগে বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌকায় যাতায়াতের সময় সিনিয়র-জুনিয়র বিষয় নিয়ে আবারও তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। সেই বিরোধের জেরেই শুক্রবার রাতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত নাঈম তৃতীয় পক্ষ হিসেবে ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলার শিকার হন বলে জানা গেছে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের