মঙ্গলবার,

২০ অক্টোবর ২০২৬,

৫ কার্তিক ১৪৩৩

মঙ্গলবার,

২০ অক্টোবর ২০২৬,

৫ কার্তিক ১৪৩৩

Radio Today News

আবারও যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস করেছে আইআরজিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪:৪৮, ২০ অক্টোবর ২০২৬

Google News
আবারও যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস করেছে আইআরজিসি

পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের ৫৪তম এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ জানায় অনুযায়ী, বাহিনীর অ্যারোস্পেস ফোর্সের অত্যাধুনিক নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোনটি ধ্বংস করা হয়েছে।

আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগের ঘোষণায় বলা হয়েছে, আজ মঙ্গলবার ভোরে হরমুজ প্রণালির আকাশে ড্রোনটিকে শনাক্ত ও ভূপাতিত করা হয়। এ সময় ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণে অভিযানটি পরিচালিত হয়। 

এর এক মাসেরও কম সময় আগে ইরানের সামরিক বাহিনী একই জলপথের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-১ প্রিডেটর ড্রোন এবং একটি অত্যাধুনিক অরবিটার গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করার ঘোষণা দিয়েছিল।

২১ সেপ্টেম্বরের এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছিল, তাদের অ্যারোস্পেস ফোর্সের অত্যাধুনিক নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা দেশটির সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়।

বিবৃতিতে এমকিউ-১-কে একটি অত্যাধুনিক ড্রোন হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, আফগানিস্তানে এটি ২০ হাজার ঘণ্টা উড্ডয়ন করেছে এবং ‘কান্দাহারের কসাই’ নামে কুখ্যাতি অর্জন করেছিল।

আইআরজিসি আরও জানায়, কয়েক বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর যুদ্ধবহর থেকে এমকিউ-১ ড্রোন প্রত্যাহার করা হয়। পরবর্তীতে এর পরিবর্তে এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ব্যবহার শুরু হয়।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক এমকিউ-৯ ড্রোন হারানোর পর যুক্তরাষ্ট্র পুরোনো এমকিউ-১ ড্রোন ব্যবহারে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে।

অন্যদিকে, পৃথক এক ঘোষণায় ইরানের সেনাবাহিনী জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর পরিচালিত দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি অত্যাধুনিক অরবিটার গোয়েন্দা ড্রোনকে সফলভাবে লক্ষ্যবস্তু করে ধ্বংস করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী জানায়, ঘটনাটি দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে, হরমুজ প্রণালির আকাশে ঘটেছে। এলাকাটি ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বিনা উসকানিতে আগ্রাসী যুদ্ধ শুরু করে। এর ৪০ দিন পর, ৮ এপ্রিল ইরানের প্রতিরোধ এবং কার্যকর পাল্টা হামলার মুখে প্রতিপক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে বাধ্য হয়। 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জুনের ১৭ তারিখে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক (MoU) লঙ্ঘন করে জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ধারাবাহিক প্রাণঘাতী বিমান হামলা চালায় এবং দেশটির ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করে।

এর জবাবে ইরানের সামরিক বাহিনী পশ্চিম এশিয়াজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানগুলোতে শক্তিশালী হামলা চালায় এবং সব ধরনের জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দেয়।

সূত্র: পার্সটুডে

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের