ইউরোপের অন্তত সাতটি দেশে চলতি মাসে বিক্ষোভ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি উত্তাপ দেখা গেছে ফ্রান্সে। এছাড়া ইতালি, পর্তুগাল, স্পেন, গ্রিস, বেলজিয়াম ও আলবেনিয়ায় বাড়িভাড়া, জীবনযাত্রার ব্যয়, কর্মসংস্থানের অভাব ও সরকারের প্রতি অসন্তোষ মানুষকে রাস্তায় নামিয়েছে।
বিক্ষোভগুলোর মধ্যে সাধারণ যোগসূত্র হলো অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সামাজিক বৈষম্য ও ভবিষ্যৎ নিয়ে তরুণদের উদ্বেগ। এসব অসন্তোষকে কেন্দ্র করে গত কয়েক বছরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ক্ষমতাসীন সরকারকে চাপে রেখেছে কট্টর ডানপন্থি ও অভিবাসনবিরোধী দলগুলো। রাজনীতির মূলধারায় তারা নিজেদের অবস্থানও শক্ত করেছে। একই সঙ্গে ভোটারদের মাঝে নিজেদের বক্তব্যকে জনপ্রিয় করতে পারার নমুনাও দেখিয়েছে।
অভিবাসনবিরোধী রাজনীতির পালে নতুন করে হাওয়া দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তাঁদের দাবি, চলমান অস্থিরতার জন্য অভিবাসীরাই দায়ী। এমন প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে, ইউরোপের নাগরিকরা কি শুধু অভিবাসন নিয়ে ক্ষুব্ধ, নাকি জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান সংকটের প্রতিবাদ জানাচ্ছে? এই অস্থিরতা অঞ্চলটিতে বসবাসরত অভিবাসীদের জন্য কী বার্তা দিচ্ছে?
সাত দেশ: ভিন্ন রাজনীতি, ভিন্ন ক্ষোভ
গত কয়েকদিনে এএফপি, রয়টার্স ও দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায়, সাতটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেমন আলাদা, তেমনি মানুষের দাবির প্রেক্ষাপটেও ভিন্নতা আছে। মিল আছে অর্থনৈতিক নিরাপত্তাহীনতা ও জনসেবার মান নিয়ে।
মধ্যম, উদারনৈতিক ও ডানপন্থিদের শাসনে থাকা ফ্রান্সে বিক্ষোভ শুরু হয় গত ১৭ সেপ্টেম্বর। তখন ক্ষোভ ছিল মূলত বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষে আসন সংকট নিয়ে। পরে এর সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয়, মজুরি, পেনশন ও সরকারি সেবা নিয়ে অসন্তোষ যুক্ত হয়। আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। শ্রমিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংগঠনও এতে সমর্থন দেয়। অধিকাংশ মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করলেও গত শনিবার কিছু গোষ্ঠী লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়।
বেলজিয়ামে ক্ষমতাসীন জোটে রক্ষণশীল, উদারনৈতিক ও বামপন্থিদের মিশেল আছে। বিক্ষোভ হচ্ছে শিক্ষা খাতে ব্যয় কমানোর পরিকল্পনা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে। শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা, শিক্ষা ব্যয় বাড়লে উচ্চশিক্ষা সবার জন্য সমানভাবে সহজলভ্য থাকবে না। এতে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের শিক্ষার্থীরা বেশি চাপে পড়তে পারেন।
ডানপন্থি জাতীয়তাবাদী ও রক্ষণশীল জোটের নেতৃত্বাধীন ইতালিতে জীবনযাত্রার ব্যয়, জ্বালানির দাম এবং আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য না থাকা নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। মধ্যম-ডানপন্থি সরকারের নেতৃত্বাধীন পর্তুগালে তরুণদের উদ্বেগের বড় কারণ আবাসন সংকট। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দেশটিতে আবাসনে ব্যয় ১২৪ শতাংশ বেড়েছে। এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) গড় বৃদ্ধির প্রায় দ্বিগুণ।
সমাজতান্ত্রিক দলের নেতৃত্বাধীন স্পেনের সরকার সম্প্রতি পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়েছে। একই সময়ে বাড়িভাড়া, উচ্ছেদ ও আবাসনকে বিনিয়োগের পণ্য হিসেবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরালো হয়েছে। গ্রিসে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা ও আবাসন খাতে সরকারি সহায়তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। দেশটির ক্ষমতায় আছে মধ্য-ডানপন্থি ও ইউরোপপন্থি দল নিউ ডেমোক্রেসি।
অন্যদিকে, আলবেনিয়ায় সমাজতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে দুর্নীতির অভিযোগ, কর্মসংস্থানের ঘাটতি ও সরকারের প্রতি অসন্তোষ সামনে এসেছে। বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রী এদি রামার পদত্যাগের দাবি তুলেছেন।
দেশগুলোর এসব বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের প্রধান দাবি হিসেবে অভিবাসনবিরোধিতা স্পষ্ট নয়। অন্তত উল্লেখিত আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন থেকে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্য পাওয়া যায়নি। বরং শিক্ষা, আবাসন, মজুরি, কর্মসংস্থান ও জনসেবার প্রশ্নই সামনে এসেছে।
তাহলে অভিবাসন কেন আলোচনায়?
ইউরোপের দেশগুলো একসময় শরণার্থী ও অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে তুলনামূলক উদার অবস্থান নিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, আশ্রয়প্রার্থীদের ব্যবস্থাপনা ও অভিবাসননীতি নিয়ে অবস্থান কঠোর হয়েছে। এর পেছনে জনমতের পরিবর্তন, রাজনৈতিক চাপ ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার মতো একাধিক কারণ যুক্ত। তবে সব দেশ একই পথে এগোচ্ছে, এমন নয়।
শনিবার ফ্রান্সের বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেওয়ার পর অভিবাসনের প্রসঙ্গ সামনে আনেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমা উদারপন্থিরা বৈচিত্র্য ও সহানুভূতির নামে ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশে ‘তৃতীয় বিশ্বকে’ আমদানি করেছে। তাঁর বক্তব্যের মূল কথা, অভিবাসন ও বৈচিত্র্যের নীতি গ্রহণের সময় সামাজিক সংহতি ও সাংস্কৃতিক সামঞ্জস্যের প্রশ্ন যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ‘তৃতীয় বিশ্ব’ শব্দটি মূলত স্নায়ুযুদ্ধের সময় ব্যবহার হতো। পরে অর্থনৈতিকভাবে উন্নয়নশীল ও তুলনামূলক দরিদ্র দেশ বোঝাতে এর প্রচলন বাড়ে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে তৃতীয় বিশ্ব ও অভিবাসনকে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে তুলে ধরেছেন। গত বছরের নভেম্বরে তিনি তৃতীয় বিশ্ব থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে বন্ধের হুমকি দেন। অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা তাঁর নির্বাচনী প্রচারেও অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল।
ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্প প্রশাসন ইউরোপের অস্থিরতাকে অভিবাসননীতির পরিণতি হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। স্পেনের সেউতায় অভিবাসীদের ঢলের সময়ও মার্কিন কর্মকর্তারা এ নিয়ে সরব হয়েছিলেন। তারা ঘটনাটিকে ডেমোক্রেটিক পার্টির অভিবাসননীতির সঙ্গে তুলনা করেন।
জনমত জরিপের ফলাফল দেখাচ্ছে, আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টি পিছিয়ে আছে। এমন সময় ট্রাম্প ও ভ্যান্স ইউরোপের ঘটনাকে মার্কিন ভোটারদের সামনে রাজনৈতিক উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরলেন। রোববার ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ‘সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশ থেকে আসা ও অন্তরে ঘৃণা পোষণ করা মানুষের অভিবাসন একসময়ের মহান দেশটিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। ফ্রান্স এখন জ্বলছে।’
তবে ফ্রান্স, ইতালি কিংবা আলবেনিয়ার সরকারপ্রধানরা সরাসরি অভিবাসনকে চলমান অস্থিরতার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন- এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ সহিংসতার জন্য দায়ী করেছেন উগ্র বামপন্থি গোষ্ঠী ও লুটপাটকারীদের। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, পর্তুগালের লুইস মন্টিনিগ্রো ও আলবেনিয়ার এদি রামা নিজ নিজ দেশের অস্থিরতার জন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা করেছেন।
নেতাদের বয়ানের এই পার্থক্য দেখাচ্ছে, কোনো দেশে অভিবাসন নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক থাকা আর নির্দিষ্ট বিক্ষোভের মূল কারণ হওয়া এক বিষয় নয়। সহিংসতার দৃশ্যকে কেন্দ্র করে অভিবাসনকে দায়ী করা রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক হতে পারে। কিন্তু তাতে বিক্ষোভকারীদের প্রকৃত দাবিগুলো আড়ালে পড়ার ঝুঁকিও আছে।
অভিবাসীদের জন্য কী বার্তা?
ইউরোপের সাম্প্রতিক বিক্ষোভের রাজনৈতিক প্রভাব বুঝতে হলে আগামী নির্বাচনগুলোর দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। স্পেনে ২৯ নভেম্বর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রায় ৬ মাস বাকি। এছাড়া, ইতালি ও গ্রিসে আগামী বছর ভোট হওয়ার কথা।
এসব নির্বাচনের আগে অর্থনৈতিক অসন্তোষকে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থানের পক্ষে ব্যবহার করতে পারে অভিবাসনবিরোধী দলগুলো। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জনমত জরিপে কট্টর ডানপন্থি ন্যাশনাল র্যা লির নেতা মারিন লো পেন এগিয়ে আছেন। দলটি নথিহীন অভিবাসীদের বহিষ্কারসহ অভিবাসননীতি কঠোর করার পক্ষে।
ইতালিতে ক্ষমতাসীন ‘ব্রাদার্স অব ইতালি’ সরকার ইতোমধ্যে অভিবাসননীতি কঠোর করেছে। ‘অ্যাসাইলাম ইন ইউরোপ’-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইতালি ও গ্রিস সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বেলজিয়ামও ইইউর নতুন অভিবাসন ও আশ্রয়বিষয়ক চুক্তি বাস্তবায়নের পথে।
স্পেন ও পর্তুগালের নীতি তুলনামূলক নমনীয় হলেও অভিবাসনবিরোধী রাজনীতির প্রভাব বাড়ছে। পলিটিকোর ৮ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পেনের আসন্ন নির্বাচনে বড় সুযোগ দেখছে অভিবাসনবিরোধী দল ‘ভক্স’। জনমত জরিপে তারা তৃতীয় অবস্থানে। রক্ষণশীল পিপলস পার্টির সঙ্গে জোট গড়লে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতাও পেতে পারে।
পর্তুগালেও অভিবাসনবিরোধী দল শেগার উত্থান ঘটেছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে দলটি তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে উঠে আসে। দেশটিতে ২০২৯ সালে পরবর্তী নির্বাচন হওয়ার কথা।
এসব দলের রাজনৈতিক উত্থান অব্যাহত থাকলে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কঠোর অভিবাসননীতির পক্ষে চাপ বাড়তে পারে। স্থানীয়দের চাকরি ও মজুরি নিয়ে উদ্বেগ থাকলে বিরোধী দলগুলোও সেটি নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগানোর সুযোগ পাবে। বিপাকে পড়তে পারেন অবৈধ পথে পাড়ি জমানো অভিবাসীরা।
কত বাংলাদেশি ইউরোপে যায়?
ইউরোপে বৈধ উপায়ে পাড়ি জমানো বাংলাদেশিদের বর্তমান পরিসংখ্যান জানা সম্ভব হয়নি। গত মার্চে জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা (আইওএম) জানায়, ২০২৪ সাল শেষে ইইউভুক্ত ২৭টি দেশে ৪ লাখ ২ হাজার বাংলাদেশির কাছে বসবাসের বৈধ অনুমতিপত্র ছিল।
সংস্থাটি জানায়, অনুমতি থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে ২ লাখের বেশি ইতালিতে বসবাস করেন। ফ্রান্স, পর্তুগাল, স্পেন ও গ্রিসে এ সংখ্যা ৫০ হাজারের কম। গত বছর ২৪ হাজার ৩১৮ জন বাংলাদেশি সমুদ্র ও স্থলপথে ইউরোপে পৌঁছান। তাদের মধ্যে ৮৩ শতাংশ ইতালিতে ও ১৬ শতাংশ যান গ্রিসে। বাকি প্রায় ১ শতাংশের গন্তব্য ছিল মাল্টা ও স্পেন।
শ্রমবাজারের গবেষণা যা বলছে
অভিবাসনবিরোধী রাজনীতিতে প্রায়ই দাবি করা হয়, বিদেশি কর্মীরা স্থানীয়দের চাকরি কেড়ে নেন বা মজুরি কমিয়ে দেন। কিন্তু ইউরোপের শ্রমবাজার নিয়ে এক গবেষণায় ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে।
‘মাইগ্রেশন, মবিলিটি অ্যান্ড দ্য ইইউ লেবার মার্কেট: রিসেন্ট ডেভেলপমেন্টস’ শিরোনামের ওই গবেষণা গত ১৩ জানুয়ারি নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে ইউরোপীয় কমিশন। এতে বলা হয়েছে, ইইউয়ের কর্মক্ষম জনসংখ্যার মধ্যে বাইরের দেশে জন্ম নেওয়া মানুষের অনুপাত বেড়েছে। ২০১৪ সালের প্রায় ৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৪ সালে ১২ শতাংশ হয়েছে। এই সময়ের অভিবাসন ইইউতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। পাশাপাশি, বিভিন্ন খাতে শ্রমিকের ঘাটতি কমাতেও সহায়তা করেছে।
এই প্রবণতা ইউরোপের রাজনীতিতে দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত দেয়। একটি স্থানীয় ভোটারদের সন্তুষ্টি ধরে রাখা, অন্যটি অভিবাসননীতি পরিচালনা। এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য না থাকলে অর্থনৈতিক ক্ষোভ তীব্র হয়ে অভিবাসনবিরোধী রাজনীতি নতুন শক্তি পেতে পারে। কারণ, তাৎক্ষণিকভাবে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো যতটা কঠিন, অভিবাসনকে সমস্যা হিসেবে তুলে ধরা ততটাই সহজ।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

