শনিবার,

১৮ মে ২০২৪,

৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

শনিবার,

১৮ মে ২০২৪,

৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

Radio Today News

পুরো দেশ ও জাতি কঠিন যুগসন্ধিক্ষণে এসে উপস্থিত: রিজভী

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৮:৩০, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

Google News
পুরো দেশ ও জাতি কঠিন যুগসন্ধিক্ষণে এসে উপস্থিত: রিজভী

সরকার দেশের কৃষ্টি-সংস্কৃতি বদলে দেয়ার অপচেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘পুরো দেশ ও জাতি কঠিন যুগসন্ধিক্ষণে এসে উপস্থিত হয়েছে। আজকে শুধু রাজনৈতিক আধিপত্য নয়, সাংস্কৃতিক আধিপত্য, সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মধ্যে পড়েছেন তারা। দীর্ঘদিনের কৃষ্টি-সংস্কৃতি, দীর্ঘদিনের আমাদের ভাষা, আমাদের শব্দ. এসবকে বদলে দেয়ার অনেক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। এখন তারা পার্শ্ববর্তী ও ভিনদেশের সংস্কৃতিকে দেশের ভিতরে ঢুকিয়ে বিষবাস্প ছড়িয়ে দিচ্ছে। এদেশের চিরাচরিত কৃষ্টি-কালচার পরিবর্তন করে তারা এখন আরেক দেশের অপসংস্কৃতিকে এখানে স্থায়ীত্ব দিতে চাইছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে ভাষা, সংস্কৃতি, স্বাধীনতার নিরাপত্তা নেই। সরকার সংস্কৃতিকে পরিবর্তনের চেষ্টা করছে। আধিপত্য ধরে রাখতে ক্ষমতাসীনরা দেশকে বিক্রি করে দিচ্ছে।’

রোববার বিকেলে নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বাংলা নববর্ষ বরণের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

রিজভী বলেন, ‘তাদের বাবা-মা, আমাদের পূর্ব পুরুষ দাদা-দাদি, নানা-নানি এবং তাদের আরো আগে থেকে তাদের অভ্যাস, তাদের খাওয়া-দাওয়া, তাদের পোষাক-পরিচ্ছদ সমস্ত কিছু মিলে এবং এই বাংলার প্রাণের যে শাখাগুলো সেই স্বাধীন ভুখণ্ডের মধ্যে এখানকার ধলেশ্বরী-শীতালক্ষ্যা-পদ্মা-যমুনা-যুমনা, ইছামতি থেকে উচ্ছারিত যে সংগীত, যে গান, যে সংস্কৃতি সেটাই আমাদের নিজস্ব। এই নিজস্বতার মধ্য দিয়ে গড়ে উঠা সংস্কৃতির ধারাকে বদলে কেউ বিভ্রান্ত ছড়িয়ে ভাঙতে পারবে না। এর ওপরেই আমাদের সার্বভৌমত্ব, আমাদের স্বাধীনতা দাঁড়িয়ে থাকবে। আর এর প্রতীক হচ্ছেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া।’

তিনি বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নাকি বাঙালি সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করে না। আমি বলতে চাই, আপনি কিসে বিশ্বাস করেন? এই বাঙালি সংস্কৃতির তাৎপর্য কি, এটার সংজ্ঞা কি? আপনি যদি একটু ব্যাখ্যা করে বলতেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইংল্যান্ডের ভাষাও ইংরেজি, আমেরিকার ভাষাও ইংরেজি, নিউজিল্যান্ডের ভাষাও ইংরেজি, অষ্ট্রেলিয়ার ভাষাও ইংরেজি। আরো ছোট-খাটো দেশে ইংরেজি রাষ্ট্র ভাষা। তাহলে সবাই কি ইংরেজ? তাহলে কেউ অস্ট্রেলিয়ান, কেউ আমেরিকান, কেউ কানাডীয়ান কেনো? বাঙালি তো অনেক দেশে আছে। ভারতের ত্রিপুরায় আছে, পশ্চিম বাংলায় আছে। এখানে ওবায়দুল কদের কোন বাঙালির কথা বলছেন?’

জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাসের উদ্যোগে নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এতে জাসাস শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠান হয়।

জাসাসের সহসভাপতি লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম, জাসাসের আহমেদ কিসলুসহ জাসাসের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের