বয়স সবে ১৯। মুখায়বে তাই এখনো কৈশোরের ছাপ। তবে অর্জনের খাতায় একের পর এক ইতিহাস লিখে চলেছেন লামিনে ইয়ামাল। প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে শুরু করা স্পেন উইঙ্গার নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বিশ্বফুটবলের অন্যতম সেরা তারকায়। এবার ব্যালন ডি’অর জয়ের অন্যতম সেরা দাবিদারও ছিলেন ইয়ামাল। শেষ পর্যন্ত অবশ্য শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কারটা পাননি তিনি।
তাকে পেছনে ফেলে জিতেছেন হ্যারি কেইন। তবে খালি হাতে ফিরতে হয়নি ইয়ামালকে। ব্যালন ডি’অরের কোপা ট্রফি জিতেছেন তিনি।
এই পুরস্কারকে বলা যায় ব্যক্তিগত সম্পত্তিই বানিয়েছেন ইয়ামাল।
টানা তৃতীয়বার কোপা ট্রফি জিতলে আর কি-ইবা বলা যায়। তাতে অনূর্ধ্ব-২১ ফুটবলারদের সেরার এই পুরস্কারে গড়লেন বিরল কীর্তি। সর্বোচ্চবার জিতলেন এই পুরস্কার। আগের দুটি ছিল ২০২৪ ও ২০২৫ সালে। ২০১৮ সাল থেকে দেওয়া হয় এই পুরস্কার।
তবে ২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দেওয়া হয়নি। পুরস্কার পাওয়ায় খুশি হলেও অন্য কারও পাওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন ইয়ামাল। সেই অন্য কেউ হচ্ছেন তারই ক্লাব ও জাতীয় দলের সতীর্থ পাউ কুবার্সি। পুরস্কার নেওয়ার সময় নিজের ইচ্ছের কথা এভাবে বলেন বার্সেলোনা উইঙ্গার, ‘আমার সতীর্থ কুবার্সি এখানে থাকলে ভালো হতো। এই পুরস্কারটা ওর পাওয়া উচিত ছিল। আমি চাইতাম, ও-ই জিতুক।’
বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিততে না পারার আক্ষেপ অবশ্য ইয়ামালের কণ্ঠে ফুটে উঠেছে। ব্যালন ডি’অর জিততে তাই আরো কঠোর পরিশ্রম করতে চান তিনি। স্পেন তারকা বলেছেন, ‘আমাকে সমর্থন দেওয়ার জন্য ক্লাব ও জাতীয় দলকে ধন্যবাদ। এমন দলীয় ও ব্যক্তিগত শিরোপা জিততে আমাকে আরো পরিশ্রম করে যেতে হবে।’
২০২৫-২৬ মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতেছেন ইয়ামাল। স্পেনের হয়ে জিতেছেন বিশ্বকাপও। সর্বশেষ মৌসুমে ক্লাবের হয়ে ৪৫ ম্যাচে ২৪ গোল করেছেন। সঙ্গে ১৮ অ্যাসিস্ট তার। চলতি মৌসুমেও তাঁর পারফরম্যান্স চোখে পড়ার মতো। ১৩ ম্যাচে করেছেন ১০ গোল, সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ১০টি। সবমিলিয়ে ক্লাব ও জাতীয় দলের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই তাঁকে এনে দিয়েছে এই স্বীকৃতি।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

