বাংলাদেশের পরিচয় হবে মেধা দিয়ে ধর্ম দিয়ে নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দিনাজপুরে বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায় যেখানে ধর্মের ভিত্তিতে কেউ বৈষম্যের শিকার হবে না। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সব নাগরিক মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সমান সুযোগ পাবে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে খেটে খাওয়া মানুষ, ব্যবসায়ী ও নারীরা নিরাপদে চলাচল ও জীবনযাপন করতে পারবেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা অতীতে দেখেছি, ধানের শীষ যতবার দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, ধানের শীষ চেষ্টা করেছে এলাকার উন্নয়ন করতে। স্কুল, কলেজ, রাস্তাঘাট, মসজিদ, মাদ্রাসা নির্মাণের চেষ্টা করেছে। ধানের শীষ চেষ্টা করেছে কীভাবে নারীদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা যায়।’
তিনি বলেন, ‘এ দিনাজপুর অঞ্চলকে সমগ্র বাংলাদেশ জানে, কৃষিপ্রধান এলাকা হিসেবে। আমরা চাই এ অঞ্চলে ধীরে ধীরে কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত শিল্প গড়ে তোলা হবে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে দিনাজপুরের লিচু ও কাটারিভোগ চাল বিদেশে রপ্তানি করার জন্য সব ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষের অধিকার ফিরে পাওয়ার সুযোগ এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
তারেক রহমান বলেন, ‘নিজেদের অধিকারের জন্য গত ১৬ বছরের বহু নেতাকর্মী জীবন দিয়েছে। ১২ তারিখ সেই অধিকার ফিরে পাবার নতুন সুযোগ এসেছে আমাদের সামনে।’
এর আগে নীলফামারীতে নির্বাচনি জনসভায় তারেক রহমান জানান, বিএনপি সরকার গঠন করলে মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জেম, খতিবসহ অন্য ধর্মের ধর্মগুরুদের সরকারের পক্ষ থেকে সম্মানীর ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সমাজে এক শ্রেণির মানুষ আছে, যাদের অবদান আমাদের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত। এ মানুষগুলো আমাদের মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জেম, খতিবসহ অন্য ধর্মের যে ধর্মগুরু আছেন, সে মানুষগুলো। যারা আমাদের বিভিন্ন সময় ভালো ভালো পরামর্শ দেন। তাদের অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করেন। ইনশাআল্লাহ বিএনপি সরকার গঠন করলে এসব ধর্মীয় মানুষদের সরকারের পক্ষ থেকে সম্মানীর ব্যবস্থা করতে চাই।’
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

