বিশ্বকাপ ফুটবলের আর্জেন্টিনা-মিসরের ম্যাচে রেফারিংয়ে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে ফিফার সভাপতি ও ম্যাচ রেফারির বিরুদ্ধে নোয়াখালীর সুধারাম মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ নিয়ে গিয়েছিলেন এক তরুণ।
তবে এ ধরনের অভিযোগের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার আইনগত এখতিয়ার না থাকার কথা বলে থানা পুলিশ তা গ্রহণ করেনি।
অভিযোগকারী তরুণ ম্যাচটিতে পূর্বপরিকল্পিত জালিয়াতি ও কোটি কোটি মানুষের আবেগ নিয়ে খেলার অভিযোগ তুলে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণও দাবি করেছিলেন।
অভিযোগকারী মো. রাকিব নোয়াখালী সদর উপজেলার মান্দারতলী গ্রামের বাসিন্দা।
বুধবার রাতে তিনি সুধারাম মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ নিয়ে উপস্থিত হন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে তাদের আইনগত এখতিয়ার নেই। তাই অভিযোগ জমা না দিয়েই তাকে ফিরে যেতে হয়েছে।
অভিযোগে রাকিব দাবি করেন, গত মঙ্গলবার রাতে তিনি স্থানীয় করমুল্যা বাজারে আরও অনেকের সঙ্গে বড় পর্দায় আর্জেন্টিনা ও মিসরের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবলের ম্যাচটি দেখছিলেন। ম্যাচে রেফারি ইচ্ছাকৃতভাবে একটি দলকে সুবিধা দিয়েছেন এবং এতে তার প্রিয় দল মিসর পরাজিত হয়েছে।
তিনি ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, ম্যাচ রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়েরসহ ১৫ থেকে ২০ জনের বিরুদ্ধে ম্যাচে অনিয়মের অভিযোগ আনেন।
রাকিবের অভিযোগ, ম্যাচে অন্যায্য পেনাল্টি দেওয়া, বৈধ গোল বাতিল করা এবং মিসরের খেলোয়াড় ও কোচের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, ওই তরুণের অভিযোগ নিয়ে আসার বিষয়টি সত্য। তবে এ ধরনের বিষয়ে স্থানীয় থানার আইনগত এখতিয়ার নেই। অভিযোগকারীকে বিষয়টি বুঝিয়ে বলা হয়েছে এবং অভিযোগ না নিয়েই ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মো. রাকিব বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে না নেওয়ায় তিনি এখন একই অভিযোগ নিয়ে আদালতে যাবেন এবং ইতোমধ্যে তিনি এ নিয়ে উকিলের সঙ্গে কথাও বলেছেন।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

