মঙ্গলবার,

১৮ মে ২০২১

শীতে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যেসব খাবার খাবেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:১৩, ৩০ নভেম্বর ২০২০

আপডেট: ১০:২৪, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১

শীতে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যেসব খাবার খাবেন

প্রতীকী- ছবি: সংগৃহীত

শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী না হলে অল্প অসুস্থতাতেও মানুষ খুব সহজে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোগের আক্রমণও জোরালো হয়। শীতকালে রোগ-বালাই বেশি হয়। শরীর নাজুক হয়ে পড়ে। এজন্য শীতকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে শীতকালীন শাক-সবজি খাওয়ার বিকল্প নেই।

আর হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার মানে আপনার পাচনতন্ত্রের উন্নতি সেই সাথে শরীরের সামগ্রিক ইম্যুনিটি বৃদ্ধি পাওয়া। এই করোনা আবহে বেঁচে থাকার একটাই উপায় নিজেকে করে তুলতে হবে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার অধিকারী।

এ খাবারগুলো ভাইরাসের আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে রসদ জোগাবে। শীতের সময়ে ৬টি খাবার আপনাকে সুস্থ-সতেজ রাখতে সাহায্য করবে।

মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলু শীতের সময়ের খুবই পুষ্টিকর খাবার। আলুতে একটু সুগার থাকলেও এর পুষ্টিমান অনেক। মিষ্টি আলুতে ফাইবার, ভিটামিন-এ, পটাশিয়ামের পরিমাণও বেশি। নিয়মিত খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

শালগম: শালগম ও এর পাতায় দুর্দান্ত এন্টি-অক্সিডেন্ট আছে, যা ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-কে থাকে। আর এর পাতায় থাকে ভিটামিন-এ, যা আপনার হাড়কে শক্তিশালী করবে। এ ছাড়াও কার্ডিওভাসকুলার উন্নতি ঘটাবে এ খাবারটি।

খেজুর: খেজুরে ফ্যাট অনেক কম। পুষ্টি উপাদানের পাওয়ার হাউজও বলা হয় একে। যারা নিয়মিত জিম করেন, তাদের জন্য খেজুর বাধ্যতামূলক। শীতকালে খেজুর খেলে আপনার শরীর উষ্ণ থাকবে।

কাজুবাদাম ও আখরোট: কাজুবাদাম ও আখরোট স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। দেহে ইনসুলিনের প্রতি সংবেদনশীলতা বাড়ায়। এই দুটো বাদাম একসঙ্গে খেলে ভালো ফল মিলবে।

রেগি পাউডার: নিরামিষভোজীদের জন্য রেগি পাউডার ক্যালসিয়ামের জোগান দেয়। এ ছাড়াও ডায়াবেটিস ও রক্তাল্পতা নিয়ন্ত্রণ করে। আবার অনিদ্রা, হতাশা, উদ্বেগ দূর করতেও সাহায্য করে।

বজরা: ছোটো ফলটি প্রচুর ফ্যাট, প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ। এটি রক্তাল্পতা কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত খেলে হাড় শক্ত করার কাজেও সাহায্য করে।

খালি পেটে যেসব খাবার খাবেন না

টক ফল: কখনো কখনো খালি পেটে টক ফল খাবেন না। এর ফলে শরীরে প্রচুর অ্যাসিড তৈরি হয়। খালি পেটে এগুলো খেলে পেটে অতিরিক্ত ওজন জমতে শুরু করতে পারে। পরিবর্তে, দিনটি কিসমিস বা ভেজানো বাদাম খাওয়ার মাধ্যমে শুরু করা উচিত।

সফট ড্রিঙ্ক: সোডা বা কোনো সফট ড্রিঙ্কস খালি পেটে পান করা উচিত নয়। যদিও এই পানীয়গুলো কখনই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো না, তবে খালি পেটে এগুলো পান করলে আরও ক্ষতি হয়। খালি পেটে এগুলো পান করার ফলে গ্যাস এবং বমি বমি ভাব দেখা দেয়। পাশাপাশি স্থূলতা বাড়ে। পরিবর্তে খালি পেটে লেবু পান করুন এটি ওজন হ্রাসেও সহায়ক।

মশলাদার খাবার: সকাল থেকে খালি পেট থাকার পরে, প্রাতরাশের পর মশলাদার খাবার খেলে আপনার পেট জ্বালা হতে পারে। মশলাদার খাবার খেয়ে পেটে অম্বলও হতে পারে। প্রাতরাশ সবসময় হালকা এবং সহজ হওয়া উচিত।

কোল্ড ড্রিঙ্কস: কোনোভাবেই দিন কোল্ড ড্রিঙ্ক দিয়ে শুরু করা উচিত নয়। কোল্ড কফি বা আইস টি পান করা আপনার হজম ক্ষমতাকে কমিয়ে দিতে পারে।

পরিবর্তে হালকা গরম পানি, লেবু বা আদা চা নিন। এই তিনটি জিনিস ওজন কমানোর পাশাপাশি হজম শক্তি বাড়িয়ে তোলে।