মালয়েশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে ওয়াশিংটনের ‘রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসা প্রথম দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল দেশটি। এ পদক্ষেপে অন্যান্য দেশও একই পথে হাঁটার সুযোগ পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দেশটির বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী জোহারি আব্দুল গনি জানিয়েছেন, মালয়েশিয়া–যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি ‘অ্যাগরিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড’ এখন অকার্যকর ও শূন্য। এছাড়া এই চুক্তির কোনো প্রভাব নেই।
স্ট্র্যাটনিউজগ্লোবালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী জোহারি আবদুল গনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও মালয়েশিয়ার মধ্যে হওয়া ‘এগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)’ এখন আর কার্যকর নেই।
আইডিএন ফিন্যান্সিয়ালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট এক রায়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত রিসিপ্রোকাল ট্যারিফকে অবৈধ ঘোষণা করে। আদালত রায়ে উল্লেখ করে, ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ার্স অ্যাক্ট (আইইইপিএ)’ অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের এমন ব্যাপক শুল্ক আরোপের ক্ষমতা নেই। ফলে ওই চুক্তির আইনি ভিত্তি বিলুপ্ত হয়ে যায়।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে এআরটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় মালয়েশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক ৪৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৪ শতাংশ এবং পরে প্রায় ১৯ শতাংশে নামাতে সক্ষম হয়। বিনিময়ে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রকে বৃহত্তর বাজার প্রবেশাধিকারসহ বিভিন্ন নীতিগত ছাড় দেয়।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

