গবেষণায় উঠে এলো মেসির পারিবারিক ইতিহাসের এক অজানা অধ্যায়

রোববার,

২৬ জুলাই ২০২৬,

১০ শ্রাবণ ১৪৩৩

রোববার,

২৬ জুলাই ২০২৬,

১০ শ্রাবণ ১৪৩৩

Radio Today News

গবেষণায় উঠে এলো মেসির পারিবারিক ইতিহাসের এক অজানা অধ্যায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:০৫, ২৫ জুলাই ২০২৬

আপডেট: ২২:০৫, ২৫ জুলাই ২০২৬

Google News
গবেষণায় উঠে এলো মেসির পারিবারিক ইতিহাসের এক অজানা অধ্যায়

ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসির মায়ের পক্ষের পূর্বপুরুষরা আর্জেন্টিনার আগে কিছু সময় ব্রাজিলে বসবাস করেছিলেন। সেখানেই মেসির এক প্রপিতামহ (পরদাদা/পরনানা)  জন্মগ্রহণ করেন।

তিন বছরের দীর্ঘ গবেষণায় মেসির পারিবারিক ইতিহাসের একটি অজানা অধ্যায় উন্মোচিত করেছেন ইতালীয় ইতিহাসবিদ এবং বংশানুক্রম গবেষক ফিওরেনজো সান্তিনি।

ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবোর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৮৯৯ সালে মেসির মাতৃপক্ষের প্রপিতামহ রানিয়েরি কোচ্চেত্তিনি তাঁর স্ত্রী রোসা রিচ্চেজ্জাকে নিয়ে ইতালি থেকে ‘ওয়াশিংটন’ নামক একটি জাহাজে করে ব্রাজিলের সান্তোস বন্দরে পৌঁছান। খবর বিজনেসটাইমস

পরে পরিবারটি ব্রাজিলের সাঁও পাওলোর রিনকাও অঞ্চলের খামারে শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯০৪ সালে সাঁও পাওলোর রিবেরাও প্রেতো শহরে মেসির প্রপিতামহ আর্দেরিগো কোচ্চেত্তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

আর্দেরিগোর জন্মের এক বছর পর, ১৯০৫ সালে পুরো পরিবারটি ব্রাজিল ছেড়ে আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে চলে যায়। যেখানে পরবর্তীতে লিওনেল মেসির জন্ম হয়। 

সান্তিনির গবেষণা অনুযায়ী, ব্রাজিলে থাকার সময়ই মেসির মায়ের বংশের মূল পদবিটি পরিবর্তিত হয়ে যায়। ইতালীয় মূল পদবি কোচ্চেত্তিনি ব্রাজিলের স্থানীয় নথিপত্রে ভুলবশত পরিবর্তিত হয়ে কুচ্চিত্তিনি রূপ নেয়।

একই সাথে প্রপিতামহ আর্দেরিগোর নাম নথিপত্রে ফেদেরিকো হয়ে যায়। এই পরিবর্তিত ‘কুচ্চিত্তিনি’ পদবিটিই পরবর্তীতে মেসির মায়ের মাধ্যমে মেসির নামের অংশে যুক্ত হয়।

এই গবেষণার পর ফুটবল বিশ্বে কৌতুকপূর্ণ আলোচনা তৈরি হয়েছে। মেসির পূর্বপুরুষ ব্রাজিলে থাকায় তাত্ত্বিকভাবে তাঁর ব্রাজিলের হয়ে খেলারও একটি দূরবর্তী সুযোগ থাকতে পারত। 

তবে ১৯০৫ সালের পর এই পরিবারের আর কোনো সদস্য ব্রাজিলে থেকে যাননি। বর্তমানে সেই শহরের একটি রাস্তার নাম ‘মার্তিনিকো প্রাডো’, যা মেসির পূর্বপুরুষদের আশ্রয় দেওয়া খামার মালিকের নামে রাখা হয়েছে। এটিই এখন মেসির সঙ্গে ওই শহরের একমাত্র প্রতীকী সংযোগ। 

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের