মার্কিন পণ্যে কানাডার শুল্ক কার্যকর, বাণিজ্যযুদ্ধ তীব্র হওয়ার আশঙ্কা

মঙ্গলবার,

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

মঙ্গলবার,

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

Radio Today News

মার্কিন পণ্যে কানাডার শুল্ক কার্যকর, বাণিজ্যযুদ্ধ তীব্র হওয়ার আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪:২২, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৪:২৩, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Google News
মার্কিন পণ্যে কানাডার শুল্ক কার্যকর, বাণিজ্যযুদ্ধ তীব্র হওয়ার আশঙ্কা

কানাডার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো মঙ্গলবার থেকে ‘ডলার-ফর-ডলার’ শুল্কের আওতায় কার্যক্রম শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের পণ্যে এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ী বেশি খরচ ও সরবরাহ ব্যবস্থায় জটিলতার আশঙ্কা করলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোক্তাদের ওপর এর খুব বেশি প্রভাব পড়বে না।

কানাডীয় গণমাধ্যম সিবিসি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সোমবার রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রায় ৭০০টি মার্কিন পণ্যের ওপর ১৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ শুরু হয়। এর মধ্যে আছে, ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের মতো শিল্প, টয়লেট পেপারের মতো গৃহস্থালি এবং কয়েন দিয়ে চালানো আর্কেড গেমের মতো বিশেষায়িত পণ্য।

গত ২২ আগস্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। এর জবাব হিসেবে কানাডাও ‘ডলার-ফর-ডলার’ শুল্ক আরোপ করে। ওয়াশিংটনের আরোপ করা শুল্কের আওতায় পড়বে ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের কানাডীয় পণ্য। এর মধ্যে আছে প্লাইউড, সিমেন্ট থেকে শুরু করে ওয়াইন ও হকি স্টিক।

পাল্টাপাল্টি এসব পদক্ষেপ উত্তর আমেরিকার দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। ওয়াশিংটনের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালকোহল, গাড়ি ও দুগ্ধশিল্পের প্রতি ‘বৈষম্যমূলক আচরণের’ কারণে কানাডীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়।

এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক কানাডার সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য কিছুটা নেতিবাচক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। দেশটির মধ্যাঞ্চলের উৎপাদন খাতে এর প্রভাব আরও তীব্র হবে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকরা।

বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা গত ২১ আগস্ট ভেস্তে যায়। সেদিন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি আলোচনা স্থগিতের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের শর্তগুলো গ্রহণযোগ্য ছিল না। মার্কিন আলোচকেরা একেবারে শেষ মুহূর্তে অন্য দেশগুলোর সঙ্গে কানাডার বাণিজ্য চুক্তির ওপর বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টি সামনে আনেন।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা ফরাসি ভাষা এবং কুইবেক প্রদেশের সংস্কৃতি নিয়েও অগ্রহণযোগ্য হুমকি দিয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বাণিজ্য কর্মকর্তা জেমিসন গ্রিয়ার পরে বলেন, ফরাসি ভাষার সুরক্ষা বিষয়টি সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ। এ নিয়ে মার্কিন সরকার অবগত।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের