রোববার,

১৬ মে ২০২১

কাজী সালাউদ্দিনের চোখ এখন থাইল্যান্ড-মালয়েশিয়ায়

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:১৮, ৬ ডিসেম্বর ২০২০

আপডেট: ০৬:০৮, ১৩ জানুয়ারি ২০২১

কাজী সালাউদ্দিনের চোখ এখন থাইল্যান্ড-মালয়েশিয়ায়

বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে কাতারের মুখোমুখি হওয়ার আগে বাংলাদেশ প্রীতি ম্যাচ খেলেছে নেপালের সঙ্গে। অথচ কোচ জেমি ডে আরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষ চেয়েছিলেন। কিন্তু নানা কারণে বড় দলের সঙ্গে ম্যাচ আয়োজন করা যায়নি। এবার কাতারের কাছে ৫-০ গোলে হেরে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) কিছুটা নড়েচড়ে বসেছে।

বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বে আরও তিনটি ম্যাচ খেলতে হবে আগামী বছর। তার আগে বাংলাদেশ দল যাতে শক্তিশালী দলের বিপক্ষে অন্তত একটি করে ম্যাচ খেলতে পারে সেই চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। আর সেজন্য প্রতিটি ম্যাচের আগে দরকার দুই কোটি টাকা।

সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘এখন আমরা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে চাই থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার মতো দলের বিপক্ষে। তাহলেই বিশ্বকাপ বাছাইয়ের বাকি তিন ম্যাচের জন্য দল আরো ভালো প্রস্তুতি নিতে পারবো।’

শুক্রবার রাতে কাতারের বিপক্ষে ম্যাচটি নিয়ে বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। করোনামুক্ত হয়ে তিনি শনিবার প্রথম এসেছিলেন মতিঝিলস্থ বাফুফে ভবনে।

ম্যাচটি দেখেনি উল্লেখ করে কাজী মো. সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘সত্যি কথা কি, আমি ম্যাচটি দেখিনি। আমি ১৫ মিনিট পরপর খোঁজ নিয়েছি। কারণ, বাংলাদেশ খেললে আমি নিতে (চাপ নিতে) পরি না। তাছাড়া আমার শরীরটাও ভালো ছিল না। ম্যাচ নিয়ে আমার মূল্যায়ন সিম্পল। আমরা একমাস আগে ট্রেনিং ও খেলা শুরু করেছি। আমরা সবাই জানি, কাতার এখন এশিয়ার এক নম্বর দল। সর্বশেষ আড়াই বছরে জাতীয় দলের পেছনে কাতার ব্যয় করেছে ১.৭ বিলিয়ন ডলার। তার মানে কত হাজার কোটি টাকা! আমরা এক মাস আগে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে কাতার গিয়েছি। ওরা (কাতার) খেলেছে দক্ষিণ কোরিয়া, ঘানা ও কোস্টারিকার বিরুদ্ধে। আমাদের গোল আরো কম হলে ভালো হতো।’

মার্চ ও জুনের বাকি তিন ম্যাচ নিয়ে পরিকল্পনা প্রসঙ্গে বাফুফে সভাপতি বলেছেন, ‘আমি ইতিমধ্যেই ন্যাশনাল টিমস কমিটির চেয়ারম্যানের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা করেছি। টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর নিয়ে বসেছিলাম আমাদের পরিকল্পনাগুলো তৈরি করতে। আমাদের যে তিনটি খেলা আছে তার প্রত্যেকটির আগে চার সপ্তাহের ট্রেনিং সেশন চাই। দুই সপ্তাহ ফিজিক্যাল এবং দুই সপ্তাহ ম্যাচ। আমি ম্যাচ খেলবো থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে। আমাদের চেয়ে ভালো দলের বিপক্ষে। বাকি তিনটি ম্যাচ খেলার জন্য আমার ৬ কোটি টাকা লাগবে। এই টাকা আমাকে জোগাড় করতে হবে খুব দ্রুত। এই টাকা সংগ্রহ করে প্রস্তুতি নিতে পারলে আমরা খেলোয়াড়দের কাছ থেকে রেজাল্ট আদায় করতে পারবো।’

 

সম্পর্কিত বিষয়: