শুক্রবার,

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২,

১৫ আশ্বিন ১৪২৯

শুক্রবার,

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২,

১৫ আশ্বিন ১৪২৯

Radio Today News

মির্জা ফখরুল পাকিস্তানের আজ্ঞাবহ মুখপাত্রঃ আমির হোসেন আমু

রেডিওটুডে ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:৫৮, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২

মির্জা ফখরুল পাকিস্তানের আজ্ঞাবহ মুখপাত্রঃ আমির হোসেন আমু

আমির হোসেন আমু

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের  সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পাকিস্তানের মুখপাত্র। 

আজ বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহিলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে প্রয়াত সংসদ উপনেতা ও দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আমু বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পাকিস্তানের আজ্ঞাবহ মুখপাত্র। কাজেই পাকিস্তানের কথার বাইরে কোন কথা বলার অধিকার নেই তার। ফখরুলরা দীর্ঘদিন এই দল করেন তারা জানেন বিএনপির ভোটার, বিএনপির সমর্থক বিএনপি’র সবকিছুর প্রেতাত্মাই হচ্ছে পাকিস্তান।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির যে যা কথাই বলুক নিশ্চয়ই আমরা আগামী নির্বাচনে জয়লাভ করবো। তারা পরাজিত হবে বলেই বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক ধোঁয়া সৃষ্টি করে বিশৃংখলা সৃষ্টি করবার অপচেষ্টা করছে। বিভিন্ন রকম কথা বলে আগামী নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করবার ষড়যন্ত্র করছে।’

আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা বলেন, ‘তবে এটি কোনো নতুন কথা না। এর কারণ বিএনপির জন্ম পাকিস্তানের প্রেতাত্মা হিসাবে এবং বিএনপি জন্মলগ্ন থেকে পাকিস্তানের জন্য সহায়ক শক্তি হিসাবে কাজ করে এসেছে। জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম এই দেশে যুদ্ধাপরাধীদের কলমের খোঁচা দিয়ে মুক্ত করে দিয়েছেন জেলখানা থেকে। খালেদা জিয়া তাদের সঙ্গে জোট করেছে, সরকারও গঠন করেছে।’

আমির হোসেন আমু বলেন, ‘তাদের কাছ থেকে আজকে পাকিস্তান প্রীতি, আমাদের কাছে এটা নতুন কিছু আশ্চা‌র্য নয় এবং বাংলার মানুষ এটা জানে। বাংলার মানুষ জানে বলে তারা সবসময় প্রত্যাখাত হয়। এই দেশে মুক্তিযোদ্ধারা এখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ এবং এদেশের গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল স্বাধীনতার সব শক্তি আজকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আছে বলে তাদের গাত্রদাহ।’
 
তিনি বলেন, ‘তারা মনে করে তারা একটি পলিটিক্যাল আইওয়াশের জন্যই জামায়াতের সঙ্গে বিচ্ছিন্নতা করে দেখাচ্ছে, যারা এটা বিশ্বাস করে তারা যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্য তারা এসব কথা সামনে আনছে। যাতে তাদের ভোটাররা থাকে এবং পাকিস্তান প্রীতি লোকেরা তাদের সাথে থাকে; এইটা তাদের মূল উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাই বলতে চাই, এই কারণে আমাদের বিচলিত হওয়ার কারণ নেই। এটা মোকাবেলা করেন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর থেকে শুরু করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দীর্ঘ সংগ্রাম আমরা করে আসছি এই অপশক্তির বিরুদ্ধে, এই স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে। সুতরাং আজকে তারা যে কথাই বলুক নিশ্চয়ই ইনশাআল্লাহ আমরা আগামীতে জয়লাভ করবো বলেই, তারা জানে পরাজিত হবে বলেই তারা বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক ধোঁয়া সৃষ্টি করছে, বিশৃংখলা সৃষ্টি করবার অপচেষ্টা করছে। বিভিন্ন রকম কথা বলে আগামী নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করবার চেষ্টা করছে।’

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর রাজনৈতিক অবদান ও প্রজ্ঞার প্রসঙ্গ তুলে আমির হোসেন আমু বলেন, ‘তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতার কারণে বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন উঠেছে এই পদটা এভাবে রাখা যায় না। সংসদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ। তারপরও কিন্তু নেত্রী আমৃত্যু এই পদে তাকে রেখেছেন। কারণ তিনি ত্যাগ তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় বিভিন্নভাবে দিয়েছেন। যেভাবে বঙ্গবন্ধু নেতৃত্বে ছিলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ছিলেন, শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালি করার জন্য কাজ করেছেন।’

সঠিক সময়ে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর স্মরণ সভা আয়োজন করার জন্য মহিলা আওয়ামী লীগকে ধন্যবাদ দেন আমির হোসেন আমু।

মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া খাতুনের সভাপতিত্বে স্মরণ সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম কৃক। সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলী সদস্য এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী বীরবিক্রম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি।

রেডিওটুডে নিউজ/এসবি

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের