কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, চোরাইপথে আর কোনও নির্বাচন হবে না, করতে দেবো না। সমস্ত চোরাগলি বন্ধ করে দেব। মঙ্গলবার কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি তার এক্স আইডি হ্যাকের ব্যাপারে বলেন, আইডি হ্যাকের বিষয়টি স্পষ্টভাবে নিষ্পত্তি হওয়ার পরও একটি রাজনৈতিক দল এটিকে পুঁজি করে ব্যবসা করছে। এ ধরনের নোংরা রাজনীতি দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পচা রাজনীতি নয়, ২৪-এর যুব সমাজ পরিবর্তন চায়। তারা আর বিভাজনের রাজনীতি দেখতে চায় না। নারী ইস্যুকে সামনে রেখে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জামায়াতের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশ একটি মানবিক মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো একটি স্বাধীন ও সম্মানজনক বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য। জুলাইয়ে যুবসমাজ বুকের রক্ত দিয়ে সব ধরনের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। তাদের সেই আত্মত্যাগের প্রতি আমরা গভীর শ্রদ্ধা জানাই।
তিনি বলেন, দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করা হয়েছে, সেই অর্থ ফেরত আনা হবে। এখন আর কোনো দুর্বৃত্ত কারো ভোটে হাত দিতে পারবে না। কেউ কোনো ক্ষতি করতে এলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।
অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ভোটাধিকার প্রয়োগে কোনো ধরনের বাধা বা অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না। জাতি পরিবর্তন চায় এবং সেই পরিবর্তনের পথেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করতে পারলে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, অনেকে বলেন জামায়াতের সরকার হবে বা ইসলামি দলের সরকার হবে। আমি জামায়াতের সরকার চাই না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের সরকার চাই।
পরে কৃষিভিত্তিক কিশোরগঞ্জ জেলাকে শিল্পে পরিণত করাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয় করার আহ্বান জানান তিনি।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

