নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণ জানালেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী

শনিবার,

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

৮ ফাল্গুন ১৪৩২

শনিবার,

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

৮ ফাল্গুন ১৪৩২

Radio Today News

নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণ জানালেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২২:৫৮, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Google News
নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণ জানালেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী

বন্দরকে ঘিরে চলমান বিভিন্ন নেতিবাচক কার্যক্রমের কারণে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর যারা অপারেট করে, যারা স্টেকহোল্ডার- তারা যার যার মতো করে নিজস্ব বিকল্পভাবের সৃষ্টি করেছে। চট্টগ্রাম বন্দরকে ঘিরে যে এক্টিভিটিসগুলো হচ্ছে, এগুলো পণ্যের দাম বাড়ার কারণ। জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। দাম বাড়ারে পেছনে অনেক কারণ আছে। যেসব কারণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ছাড়াও শিল্প-কারখানারসহ সার্বিকভাবে যেসব মালামাল আসছে, সব ক্ষেত্রে এটার প্রতিফলন ঘটছে। এটা দেশের মনুষকে কষ্ট দিচ্ছে। এজন্য চট্টগ্রাম বন্দর, কাস্টমস, সিএন্ডএফ এজেন্ট, পরিবহন, শ্রমিক-কর্মচারীসহ সব স্টেকহোল্ডাদের নিয়ে বসেছি। পুঙ্খানু-পুঙ্খানুভাবে আলোচনা করছি, বিবেচনা করছি।

শুক্রবার বিকেলে নগরীর মেহেদীবাগের বাসভবনে চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে আয়োজিত এক জরুরি বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

আমীর খসরু বলেন, বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরের বিষয়ে যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো আমরা রিভিউ করবো। কারা এগুলো বাস্তবায়ন করেছে, কারা করে নাই- তারওপর ভিত্তি করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

মন্ত্রী বলেন, বন্দরের কারণে শুধু নিত্যপণ্যই নয়, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাক্টের কস্টও (মূল্যও) বাড়ছে। অনেকগুলো বিষয়ে আমরা সমাধান দিতে পেরেছি। অনেকগুলো বিষয়ে সমাধান দিতে আমাদের সময় লাগবে। কারণ, এগুলোতে ইন্টার মিনিস্ট্রির বিষয় রয়েছে। আমরা আশা করছি, খুব সহসা চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমে গতি আসবে। সাথে সাথে যেসব পণ্য আটকে আছে, এগুলো দ্রুত খালাস হবে। ফলে এগুলোর ওপর যে কস্ট আছে, সেটা কমে আসবে। এখন রোজার যে পণ্যগুলো আছে, এগুলোর ডেলিভারি খুব স্লো। এগুলো যাতে তাড়াতাড়ি ডেলিভারি দেওয়া যায় সেজন্য আমি চেষ্টা করছি।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সার্বিকভাবে বন্দরে অনেক সমস্যা আছে। প্রত্যেকটা স্টেকহোল্ডারের সাথে বসতে হবে। কিছু কিছু সমাধান হয়েছে। আর কিছু বিষয়ে আলাপ-আলোচনার বিষয় রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের সমস্যার কারণে দেশের অর্থনীতির যে সমস্যা হচ্ছে, এটার কারণে কস্ট অব প্রোডাক্ট (পণ্যমূল্য) বেড়ে যাচ্ছে। দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাচ্ছে। অনেকগুলো কারণের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম একটা বিশেষ কারণ। আমরা এসব সমস্যার সমাধান দিতে চাইবো।

বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দর, কাস্টমস, সিএন্ডএফ এজেন্ট, পরিবহন, শ্রমিক-কর্মচারীসহ সব স্টেকহোল্ডাদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বন্দর চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি

চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যানকে দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করে তাকে অপসারণে দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ইব্রাহিম খোকন। আজ বিকেল সাড়ে ৪টায় নগরীর মেদেীবাগে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাসায় তার সঙ্গে বন্দরের জটিলতা নিরসনে আয়োজিত বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই দাবি জানান।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তি। চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম গতিশীল করতে আমরা বন্দর চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবি করছি। তাকে কোনোভাবে চট্টগ্রাম বন্দরে রাখা যাবে না। শ্রমিক-কর্মচারীরা তাকে মানেন না। তিনি কারো সাথে কো-অপারেশন করেন না।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা যে আন্দোলন শুরু করেছিলাম, সেই আন্দোলনে এখনও আছি। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় বন্দরের সব বিষয়ে অবহিত রয়েছেন। আমরা এই সরকারকে সহযোগিতা করতে চাই।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের