ফল আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে শতভাগ মার্জিন সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ফল আমদানির এলসি মার্জিন নির্ধারণ করতে পারবে ব্যাংকগুলো।
রোববার (১৬ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এতদিন বিলাসী পণ্য হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় ফল আমদানির এলসি খোলার সময় ১০০ শতাংশ মার্জিন সংরক্ষণ করতে হতো। তবে জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টির চাহিদা বিবেচনায় এ শর্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, শিশু, রোগী, প্রবীণ ও গর্ভবতী নারীদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ফল গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং বাজারে ফলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তের ফলে ফল আমদানিকারকদের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা বাড়বে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। তাঁদের মতে, এলসি খোলার ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ মার্জিনের বাধ্যবাধকতা না থাকায় আমদানিকারকদের অর্থায়নের সুযোগ বাড়তে পারে।
ফলে আমদানি ও সরবরাহ বাড়ার পাশাপাশি বাজারে প্রতিযোগিতাও তৈরি হতে পারে। এতে শেষ পর্যন্ত বাজারে বিভিন্ন ধরনের ফলের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

