গতকাল (শনিবার) চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি) এবং চীনের শাআনসি ও ফুচিয়ান প্রদেশের সরকারের যৌথ উদ্যোগে, ত্রয়োদশ রেশমপথ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সব শুরু হয়েছে, চীনের সি’আন শহরে।
সিএমজি’র মহাপরিচালক শেন হাই সিয়োং তাঁর ভিডিও-ভাষণে বলেছেন, বিগত ১৩ বছরে রেশমপথ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সব, চীন ও অন্যান্য দেশের চলচ্চিত্র-নির্মাতাদের জন্য একটি বিশাল শিল্প-উত্সবে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, চলতি বছর চীন ও মিসরের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৭০তম বার্ষিকী। চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং কিরগিজস্তান ও মিসরে রাষ্ট্রীয় সফরকালে, কিরগিজস্তান ও মিসরে সিএমজি-র ‘সি চিন পিংয়ের ক্লাসিক উক্তি’-র বহুভাষিক ও আরবি সংস্করণ প্রচারিত হয়। এ উপলক্ষ্যে কিরগিজ রাষ্ট্রপতি জাপারভ এবং মিসরের রাষ্ট্রপতি সিসি অভিনন্দনবার্তাও পাঠান।
তিনি আরও বলেন, সিএমজি’র চীনা চলচ্চিত্রের জন্য আয়োজিত ‘রেশমপথ চলচ্চিত্র’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ও প্রচার অনুষ্ঠান, বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগে অংশগ্রহণকারী বেশ কয়েকটি দেশেও পৌঁছেছে, যা উষ্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী সাংস্কৃতিক বন্ধন হিসেবে কাজ করছে। নতুন রেশমপথ গল্পের মাধ্যমে চীনা সংস্কৃতির আকর্ষণ তুলে ধরতে এবং মানবজাতির অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গঠনে অবদান রাখতে, দেশ-বিদেশের সর্বস্তরের বন্ধুদের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে ইচ্ছুক সিএমজি।
এবারের চলচ্চিত্র উত্সবের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে: "রেশমপথ বিশ্বকে সংযুক্ত করে; চলচ্চিত্র ছাং’আনকে আলোকিত করে"। এবার চলচ্চিত্র উত্সবের জন্য ১৩৯টি দেশ ও অঞ্চল থেকে ২,১৩০টি চলচ্চিত্র জমা পড়ে, যা একটি রেকর্ড। নবপ্রতিষ্ঠিত "রেশমপথ শিশু চলচ্চিত্র মৌসুম" বিভাগে, গোটা বিশ্ব থেকে ৬০টিরও বেশি শিশুতোষ চলচ্চিত্র জমা পড়ে, যার মধ্যে ১৫টি সেরা চলচ্চিত্রের সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পায়। চলতি বছর মিসরকে সম্মানিত অতিথি-দেশ হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
উত্সব চলাকালে একাধিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে, 'বেল্ট অ্যান্ড রোড' উদ্যোগের অধীনে চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে সংলাপ। এতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, কপিরাইট লেনদেন, চলচ্চিত্র-পর্যটন একীকরণ এবং প্রযুক্তির উদ্ভাবনের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
ত্রয়োদশ রেশমপথ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সব শেষ হবে ২৩ সেপ্টেম্বর।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

