পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের খাইরপুর জেলার টান্ডো মাস্তি এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভোরে জাতীয় মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি কোচের সঙ্গে কংক্রিট গার্ডার বহনকারী একটি ট্রেইলারের সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
উদ্ধারকারী সূত্র জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৯ জন যাত্রী ছাড়াও বাসচালক ও কন্ডাক্টর রয়েছেন। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি পাঞ্জাব থেকে করাচির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল।
স্থানীয় গণমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মানবিক সহায়তামূলক সংস্থা ইধি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ খাইরপুর সিভিল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহত অন্তত ১০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা চলছে।ঘটনার পর সিন্ধ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) খাইরপুরের এসএসপিকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা তদারকির নির্দেশ দেন। পাশাপাশি আশপাশের এলাকায় জরুরি সহায়তা জোরদার এবং আহতদের হাসপাতালে নিতে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর আগে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এম-৯ মোটরওয়ে-এর কাঠোর এলাকার কাছে তেলবাহী ট্যাংকার, একটি বাস ও আরও কয়েকটি যানবাহনের ত্রিমুখী সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। উদ্ধার কর্মকর্তারা জানান, নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও ছিলেন। দুর্ঘটনার তীব্রতায় কয়েকজন যাত্রী সেতু থেকে নিচে পড়ে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দুর্ঘটনায় জড়িত কোচটি ঘটনার সময় সড়কের উল্টো পাশে চলছিল। এ ঘটনায় গাদাপ থানায় রাষ্ট্রের পক্ষে একটি মামলা (এফআইআর) দায়ের করা হয়েছে। এতে অনিচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ড, বেপরোয়া ও অবহেলাজনিত গাড়ি চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
এফআইআর সূত্রে জানা যায়, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে একটি তেলবাহী ট্যাংকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রেইলার ও অন্য একটি গাড়িকে ধাক্কা দেয়। প্রথম সংঘর্ষের পর উল্টো দিক থেকে আসা বাস ও আরেকটি যানবাহন উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই ট্যাংকারচালক নিহত হন এবং অন্যান্য যানবাহনের চালক ও যাত্রীরাও প্রাণ হারান।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

