রমজান মাসের প্রথম শুক্রবারে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতাসহ মুর্শিদাবাদে প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদে জুমার নামাজে মুসল্লিদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে কলকাতা শহরের ঐতিহাসিক মসজিদগুলোতে সকাল থেকেই ভিড় বাড়তে থাকে।
জাকারিয়া স্ট্রিটের নাখোদা মসজিদ, ধর্মতলার টিপু সুলতান মসজিদ, পার্ক সার্কাসের বাইতুল মুকাররম মসজিদ, তালতলার মাওলানা আজাদ মসজিদ এবং খিদিরপুরের নূরানী মসজিদসহ বিভিন্ন স্থানে মুসল্লিদের ঢল নামে। একই চিত্র দেখা গেছে রাজ্যের জেলাগুলোতেও।
মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের প্রাঙ্গণেও রমজানের প্রথম জুমা পালিত হয়। সেখানে কয়েক হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করেন। এ সময় ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’র চেয়ারম্যান ও ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন। নামাজ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি রমজানের প্রথম জুমায় নামাজ আদায়ের সুযোগ পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা দেন।
রমজান শুরু হওয়ার পরদিনই ছিল প্রথম জুমা। বিকেলের পর কলকাতাসহ বিভিন্ন জেলার ইফতার ও ফলের বাজারেও ভিড় বাড়তে দেখা যায়। রমজানে খেজুরের চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকলেও কলা, তরমুজ, আঙুর, আপেল, পেঁপে, পেয়ারা ও কমলাসহ নানা ফলের বিক্রি জমে ওঠে। পাশাপাশি কাজুবাদাম, পেস্তা, কিসমিস ও আখরোটের মতো ড্রাই ফ্রুটসের চাহিদাও বেড়েছে।
ক্রেতাদের কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, রমজান এলেই ফলের দাম বেড়ে যায়। তবে বিক্রেতাদের দাবি, গত বছরের তুলনায় দাম সামান্য বাড়লেও তা ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে। এদিকে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেও বাজারদর পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়াতে না পারে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

