ইসরায়েলে বিধ্বংসী ‘সিজ্জিল’ ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার করলো ইরান

সোমবার,

১৬ মার্চ ২০২৬,

১ চৈত্র ১৪৩২

সোমবার,

১৬ মার্চ ২০২৬,

১ চৈত্র ১৪৩২

Radio Today News

ইসরায়েলে বিধ্বংসী ‘সিজ্জিল’ ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার করলো ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩:৪৫, ১৫ মার্চ ২০২৬

Google News
ইসরায়েলে বিধ্বংসী ‘সিজ্জিল’ ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার করলো ইরান

ইসরায়েলের অভ্যন্তরে নজিরবিহীন বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, রোববার তারা ইসরায়েলের বিভিন্ন কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু লক্ষ্য করে এই শক্তিশালী আক্রমণ পরিচালনা করেছে। এই অভিযানের সবচেয়ে বড় চমক ছিল প্রথমবারের মতো অত্যন্ত উন্নত ও দূরপাল্লার ‘সিজ্জিল’ ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার। আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে এই আক্রমণকে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’ অভিযানের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং এটি ছিল তাদের প্রতিশোধমূলক হামলার ৫৪তম ধাপ।

বিবৃতি অনুযায়ী, এই অভিযানে ইরান প্রথমবারের মতো কৌশলগত কঠিন জ্বালানিচালিত সিজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে, যা মূলত ইসরায়েলের বিমানভিত্তিক সামরিক কার্যক্রমের প্রধান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে। সিজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রটি অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন এবং এটি উৎক্ষেপণের জন্য খুব অল্প সময়ের প্রয়োজন হয়, যা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য শনাক্ত করা কঠিন। এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং সেনাদের প্রধান সমাবেশস্থলগুলো ধ্বংস করা।

সিজ্জিল ছাড়াও এই অভিযানে ইরান তাদের ভাণ্ডারে থাকা আরও বেশ কিছু বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। যার মধ্যে রয়েছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন খোররামশহর, নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদে সক্ষম খায়বার-শেকান এবং দীর্ঘ পাল্লার কদর ও এমাদ ক্ষেপণাস্ত্র।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এই সম্মিলিত ক্ষেপণাস্ত্র বৃষ্টির ফলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই নজিরবিহীন হামলার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের