ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় দখলদার ইসরায়েল এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর।
আজ সোমবার (১৬ মার্চ) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানায়, তাদের ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪’-এর অংশ হিসেবে ৫৫তম ধাপের এ হামলা শুরু করা হয়েছে। অভিযানে ইসরায়েলের প্রধান নগরী তেল আবিব এবং বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
আইআরজিসি আরও জানায়, হামলায় ইসরায়েলের মহাকাশ গবেষণা ও সমরাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র এবং আকাশপথে জ্বালানি সরবরাহের লজিস্টিক কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানতে সক্ষম ফাত্তাহ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, কদর ও এমাদ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক সুইসাইড ড্রোনও মোতায়েন করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটির ওপরও হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আল ধাফরা বিমান ঘাঁটি, জুফায়ার নৌঘাঁটি এবং শেখ ইসা বিমান ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ফাতেহ, জুলফিকার ও দেজফুল নামক মধ্যপাল্লার কঠিন জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র এবং অত্যন্ত উন্নত ধ্বংসাত্মক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ কয়েকজন সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে হত্যার ঘটনার পর তেহরান এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ইরানের অভ্যন্তরে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পরিপ্রেক্ষিতে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে পাল্টা জবাব দিচ্ছে।
সূত্র: সিজিটিএন, তাসনিম নিউজ এজেন্সি
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

