বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের অপারেশন সফল হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত আছেন বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসক।
দুই দফা অস্ত্রোপচার শেষে আজ (শুক্রবার, ১৩ মার্চ) রাতে তার চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মো. শাহাবুদ্দিন তালুকদার এ কথা জানান।
তিনি জানান, মস্তিষ্কে ইনফেকশনজনিত কারণে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে স্ট্রোক করেছিলেন মির্জা আব্বাস। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
এদিকে মির্জা আব্বাসকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা। পাশাপাশি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারাও হাসপাতালে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস সার্জারির আগে ছেলের সঙ্গে কথা বলেছেন। এসময় তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার ছেলে ইয়াসির আব্বাস।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) ইয়াসির আব্বাস বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন জায়গায় অনেকভাবে কথা ছড়িয়েছে। আসলে ওই রকম কিছুই না। কিন্তু যেহেতু বয়স হয়েছে বাবার এবং কাজের চাপটাও বেশি ছিল। সঙ্গে রোজা রেখে একটু স্ট্রেসের মধ্যে পড়ে গিয়েছিল আরকি। আলহামদুল্লিল্লাহ আমি মনে করি বাবা অনেকটা ভালো আছেন এখন আপনাদের দোয়া এবং আল্লাহর রহমতে আপনারা সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন ইনশাহআল্লাহ।
মির্জা আব্বাস নিজেই দোয়া চেয়েছেন জানিয়ে ইয়াসির আব্বাস বলেন, দেশবাসীর কাছে বাবা দোয়া চায়। বাবা সার্জারির আগেও আমাকে জিজ্ঞেস করছিল যে কী অবস্থা।
অসুস্থ হওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে আব্বাসপুত্র বলেন, আমরা রোজাটা ভেঙে নামাজ পড়তে যাই মাগরিবের নামাজ শুরু করে দ্বিতীয় রাকাতে গিয়ে ওনার খুব সম্ভবত খুব জোরে মাথা ব্যথা করে উঠে আরকি। সেক্ষেত্রে তখন নামাজ ছেড়ে আমরা সবাই বাবাকে ধরি। ধরার পর আমরা ডিসিশন নিয়ে আস্তে করে আমরা হসপিটালে নিয়ে আসি। আসতে চাচ্ছিলেন না, কিন্তু প্রচণ্ড মাথা ব্যথার কমপ্লেনটা করছিলেন আরকি। এখানে আসার পরে শাহাবুদ্দিন আঙ্কেল ওনার সঙ্গে কথা হলো। ওনি পরে ম্যানেজ করেন এবং বাকিটা তো ওনার কাছে থেকে শুনেছেন।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

