সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, ‘দুর্বৃত্তায়ন বন্ধে নজর না দিলে সুষ্ঠু নির্বাচন পেলেও গণতান্ত্রিক উত্তরণ ঘটবে না। সেক্ষেত্রে মানুষ আবার রাস্তায় নামবে।’
আজ রোববার (৩০ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ভয়েস নেটওয়ার্ক নামের একটি সংগঠন আয়োজিত ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের তিনি এসব কথা বলেন।
সুজন সম্পাদক বলেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচনি ও রাজনৈতিক অঙ্গন অপরিচ্ছন্ন ও দুর্বৃত্তায়িত। এ থেকে উত্তরণ ঘটাতে না পারলে যেই লাউ সেই কদুই থাকবে। প্রার্থীদের হলফনামা যাচাই-বাছাই ও দলগুলোর আয়-ব্যয় তথা আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে না পারলে কোনো পরিবর্তনই আসবে না। নাগরিক সমাজ গণমাধ্যমকে সোচ্চার ভূমিকা পালন করতে হবে গণতান্ত্রিক উত্তরণে।’
নির্বাচন কমিশন সংস্কারের বিষয়ে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন সংস্কারে কমিশন প্রয়োজনীয় অনেক সুপারিশ করেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় সুপারিশের অনেক কিছুই উপেক্ষিত থেকে গেছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে যেন নাগরিকদের অধিকার খর্ব করতে না পারে সেজন্যই অনেক সুপারিশ করা হয়েছিল কমিশনের পক্ষ থেকে। রাজনীতি এখন একটা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে পরিণত হয়েছে।’
একই সেমিনারে যুক্ত হয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন প্রতিষ্ঠায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকারের ভূমিকা দৃশ্যহীন।’
এছাড়া সরকারের উপদেষ্টা যারা নির্বাচন করতে পারে তাদের সমালোচনা করে বলেন, ‘রেফারি হয়ে গোল দিতে গেলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।’
এদিকে এনসিপি নেতা সারওয়ার তুষার অভিযোগ করেন বলেন, ‘নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতে সরকারের দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা নেই। ফলে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীরা এখনো ঠিকভাবে আস্থা পাচ্ছে না।’
সেমিনারে অনন্যা রাজনৈতিক দলের বক্তারাও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

