আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরের অংশ হিসেবে তিনি ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেবেন।
এদিকে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ফলে প্রধানমন্ত্রী যখন সাধারণ পরিষদের মূল অধিবেশনে বাংলাদেশের অবস্থান, উন্নয়ন কৌশল, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক শান্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে বক্তব্য রাখবেন, তখন অধিবেশন পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন বাংলাদেশেরই পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একই সময়ে বাংলাদেশের সরকারপ্রধান বক্তা হিসেবে এবং দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বিরল কূটনৈতিক ঘটনা। যদিও বিশ্ব ইতিহাসে এ ধরনের ঘটনা একেবারে নজিরবিহীন নয়, তবুও স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এর আগে ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে সে সময় দেশের রাজনৈতিক কাঠামো ও শাসনব্যবস্থা বর্তমানের তুলনায় ভিন্ন ছিল। বর্তমান সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারপ্রধানের ভাষণ এবং একই সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন—এমন পরিস্থিতি বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম।
কূটনৈতিক মহলের প্রত্যাশা, নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য এ অধিবেশন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী করতে এবং বৈশ্বিক পরিসরে দেশের কূটনৈতিক উপস্থিতিকে নতুন মাত্রা দিতে ভূমিকা রাখবে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

