বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানাতে আসছেন বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে তার কবরে শ্রদ্ধা জানাতে জিয়া উদ্যানে ছুটে এসেছেন অনেকে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সর্বসাধারণের প্রবেশের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এর আগে গতকাল বিকেলে তাকে দাফন করার পর জিয়া উদ্যানের প্রবেশমুখ বন্ধ রাখা হয়েছিল।
কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জিয়া উদ্যানে মানুষ এসে জড়ো হলে দুপুর ১২টার পর থেকে সবার জন্য সেটি খুলে দেওয়া হয়। এ সময় আগতরা তাকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং দোয়া প্রার্থনা করেন। এ সময় কান্না করতে দেখা গেছে অনেককে।
মবিনুল ইসলাম নামের একজন এসেছেন ফেনী থেকে।
তিনি গণমাধ্যমে বলেন, আমি কোনো দল করি না। কিন্তু বেগম জিয়াকে আমার সব সময়ই ভালো লাগে। তার দেশ শাসনের সময়গুলো আমার মতে সোনালী সময়। এ জন্যই ছুটে এসেছি।
বিএনপি মিডিয়া সেল থেকে ছবি দিয়ে জানানো হয়েছে, গণতন্ত্রের আপসহীন দেশনেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কবরে দোয়া করতে আসছেন বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। তারা সেখানে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।
সকালে বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। তিনি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার জন্য মোনাজাত করেন।
এ সময় জনগণের জান-মালের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে খালেদা জিয়া আপসহীন ছিলেন জানিয়ে বাবর বলেন, যখন আমি যা চেয়েছি উনি আমাকে তাই দিয়েছেন।
র্যাবকে রাজনৈতিকভাবে একদিনের জন্য বা এক ঘণ্টার জন্যও আমরা ব্যবহার করিনি। এটা কেউ বলতে পারবে না, প্রমাণ দেখাতে পারবে না।
তিনি বলেন, অন্যায় করলে বিএনপি নেতাকর্মীদেরও ছাড় দেওয়া হতো না। এমন নেত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। নেত্রীর সঙ্গে আমি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছি। উনার দেশপ্রেম দেখেছি। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে উনি কোনো আপস করেননি।
জানা যায়, সংস্কার কাজ চলমান থাকায় বন্ধ রাখা হয় ভেতরে প্রবেশ। এখন তা উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। পুরো উদ্যানের নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি রয়েছে অন্য বাহিনীর সদস্যরাও।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

