রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেবে জামায়াত; জানালেন ডা. শফিকুর রহমান

রোববার,

০৯ আগস্ট ২০২৬,

২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

রোববার,

০৯ আগস্ট ২০২৬,

২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

Radio Today News

রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেবে জামায়াত; জানালেন ডা. শফিকুর রহমান

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২৩:১২, ৮ আগস্ট ২০২৬

Google News
রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী দেবে জামায়াত; জানালেন ডা. শফিকুর রহমান

পরাজয় নিশ্চিত জেনেও আগামী ২০ আগস্টের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দেবে জামায়াতে ইসলামী। এর মধ্যে ৩৫ বছর পর বিরোধীদল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে। সর্বশেষ ১৯৯১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট হয়েছিল। পরবর্তী সাতটি নির্বাচনে সরকারি দলের প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। 

তবে শনিবার রাতে জামায়াত কার্যালয়ে দলীয় আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। রোববার বিরোধীদলের সরকারি বাসভবনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। 

সংসদে জামায়াত জোটের সদস্য (এমপি) ৯০ জন। সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম জামায়াত থেকে বহিষ্কার হলেও তিনি কাগজে কলমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াতের এমপি হিসেবে ভোটার হয়েছেন। 

৩৪৯ আসনের সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ স্বতন্ত্র এমপির সংখ্যা ৮। ইসলামী আন্দোলন, বিজেপি, গণঅধিকার পরিষদ এবং গণসংহতি আন্দোলনের ১ জন করে এমপি রয়েছেন। বাকি ২৪৭ জন এমপি বিএনপির। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ের জন্য প্রয়োজন ১৭৫ ভোট। ফলে বিএনপির জয় নিশ্চিত। 

তারপরও জামায়াত কেন প্রার্থী দিচ্ছে প্রশ্নে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ সমকালকে বলেছেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ বিরোধী দলের অধিকার। গণতন্ত্রে জয় পরাজয়ের চেয়েও বড় অধিকার চর্চা। বিরোধী দল কোনো কিছুতেই সরকারকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছাড় দেবে না। তাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া।

একই কথা জানান জামায়াতের আরেক সহকারী সেক্রেটারি আবদুল হালিম। তিনি সমকালকে বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়ে বিরোধী দলের যেখানে যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ রয়েছে, এর সবগুলোই প্রয়োগ করবে জামায়াত। 

১৯৯১ সালে তৎকালীন বিরোধীদল আওয়ামী লীগ প্রার্থী দেয়। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনপ্রবর্তনের পর সেবারই প্রথম এবং শেষবারের মত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয়েছিল। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর এমপিদের সমর্থনে ১৭২ ভোট পেয়ে আবদুর রহমান বিশ্বাস জয়ী হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদরুল হায়দার চৌধুরী ৯২ ভোট পেয়েছিলেন। জাতীয় পার্টির ৩৫ এমপি ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন। 

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের