২০৩০ সালের মধ্যে ২০০ বিলিয়ন ইউয়ানের এআই শিল্প গড়ার লক্ষ্য নিয়েছে বেইজিং ই-টাউন

রোববার,

০৯ আগস্ট ২০২৬,

২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

রোববার,

০৯ আগস্ট ২০২৬,

২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

Radio Today News

২০৩০ সালের মধ্যে ২০০ বিলিয়ন ইউয়ানের এআই শিল্প গড়ার লক্ষ্য নিয়েছে বেইজিং ই-টাউন

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২৩:৫৩, ৮ আগস্ট ২০২৬

আপডেট: ২৩:৫৩, ৮ আগস্ট ২০২৬

Google News
২০৩০ সালের মধ্যে ২০০ বিলিয়ন ইউয়ানের এআই শিল্প গড়ার লক্ষ্য নিয়েছে বেইজিং ই-টাউন

২০৩০ সালের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-নির্ভর এক পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলে বৈশ্বিক প্রভাবসম্পন্ন এআই কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে চায় বেইজিং অর্থনৈতিক-প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এলাকা। এটি ‘ই-টাউন’ নামে পরিচিত। এর মাধ্যমে মূল এআই শিল্প থেকে ২০০ বিলিয়ন ইউয়ান (প্রায় ২৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) উৎপাদনমূল্য অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। উন্নয়ন অঞ্চলবিষয়ক চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সম্পাদক খোং লেই এসব তথ্য জানিয়েছেন।

শুধু এআই কোম্পানি গড়ে তোলার ওপর জোর না দিয়ে, ‘এআইপ্লাস’ উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন শিল্প, অবকাঠামো ও নগর পরিচালনায় এআইকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে ই-টাউন। 

খোং লেই বলেন, ‘এআই যুগে প্রতিযোগিতা আর শুধু একটি প্রযুক্তিকে ঘিরে নয়। এতে মৌলিক সক্ষমতা, গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার, অপরিহার্য সফটওয়্যার, মূল ডেটা সম্পদ, প্রয়োগভিত্তিক ইকোসিস্টেম এবং সুশাসন সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত।’

খোং লেই জানান, ২০২৫ সালে ই-টাউনের জিডিপি ছিল ৪০১ দশমিক ২ বিলিয়ন ইউয়ান এবং গড় বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ছিল ১২ দশমিক ১ শতাংশ। বেইজিংয়ের মোট ভূমির মাত্র ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ জায়গাজুড়ে অবস্থিত হলেও, রাজধানীর শিল্পখাতের মোট মূল্য সংযোজনের প্রায় ৪০ শতাংশ এসেছে এই এলাকা থেকে।

১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২৬-২০৩০) শুরুর পর থেকে এলাকাটি নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা জোরদার করেছে। একইসঙ্গে এআইকে কোয়ান্টাম বিজ্ঞান, ৬জি যোগাযোগ এবং মহাকাশ প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বিত করার উদ্যোগও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পও ই-টাউনের অন্যতম কৌশলগত অগ্রাধিকার। সমন্বিত সার্কিট শিল্পে বিদ্যমান শক্তিশালী ভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে এলাকাটি চিপের নকশা, উৎপাদন, প্যাকেজিং, পরীক্ষা এবং কম্পিউটিং সক্ষমতা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ একটি ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে। পাশাপাশি পরিস্থিতিনির্ভর ও শিল্পভিত্তিক এআই চিপের মতো নতুন ক্ষেত্রেও সম্প্রসারণ ঘটানো হচ্ছে।

কম্পিউটিং সক্ষমতা বাড়াতে ই-টাউন ১ লাখ পেটাফ্লপ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বুদ্ধিমান কম্পিউটিং ক্লাস্টার নির্মাণ করছে। খোং লেই’র ভাষায়, এটি ভবিষ্যতের এআই উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

আগস্টের মাঝামাঝি ই-টাউনে অনুষ্ঠিত হবে ওয়ার্ল্ড রোবট কনফারেন্স। আর অক্টোবরে আয়োজন করা হবে ওয়ার্ল্ড ইন্টেলিজেন্ট কানেক্টেড ভেহিকলস কনফারেন্স। রোবোটিক্স ও বুদ্ধিমান পরিবহন প্রযুক্তির সর্বশেষ অগ্রগতি তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই দুটি অনুষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের