বেইজিং বিশ্ব রোবট সম্মেলনে হিউম্যানয়েড রোবটগুলো যখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে, তখন এই উদ্ভাবনকে বাস্তব জীবনে কীভাবে প্রয়োগ করা যায়, তা জানতে বিশ্বজুড়ে শিল্পসংশ্লিষ্টরা চীনের দিকে তাকিয়ে আছেন।
বুধবার শুরু হওয়া এই সম্মেলনে ৩ হাজারেরও বেশি প্রদর্শনী স্থান পেয়েছে, যার এক-দশমাংশই প্রথমবারের মতো প্রদর্শিত হচ্ছে। পাঁচ দিনব্যাপী এ আয়োজনে ৩০০-এরও বেশি প্রদর্শক অংশ নিয়েছেন, যা গত বছরের তুলনায় ৬৯ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া সম্মেলনে ৬০টিরও বেশি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে সম্মেলনে আসা অংশগ্রহণকারীদের মনে এখন আর প্রশ্ন নেই রোবট কী করতে পারে; বরং তাদের আগ্রহ রোবট প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে।
ফোরামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিউম্যানয়েড রোবট এখন আর ছোট পরিসরের পরীক্ষামূলক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে চীনে ৪০ হাজার ইউনিটের বেশি রোবট সরবরাহ করা হয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী মোট সরবরাহের ৯৭ দশমিক ৪ শতাংশ। তবে এই অগ্রগতির গল্প শুধু সংখ্যার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বিভিন্ন ধরনের রোবট ও তাদের বহুমুখী ব্যবহারও দর্শকদের মুগ্ধ করছে।
যদিও হিউম্যানয়েড রোবটের ব্যাপক ব্যবহার এখনও কয়েক বছর দূরের বিষয়, তবুও এর অর্থবহ ও বাস্তবসম্মত প্রয়োগ খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা ইতোমধ্যেই পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে। বেইজিং বিশ্ব রোবট সম্মেলন সেই প্রচেষ্টায় চীনের দ্রুত অগ্রগতি এবং বিশ্বব্যাপী আগ্রহেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

