নাফটালি বেনেট এবং বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
ইসরায়েলের সংসদে নতুন সরকার নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে অবসান হল নেতানিয়াহু যুগের। রবিবার ৬০-৫৯ ভোটে জয়লাভের পর ডানপন্থী জাতীয়তাবাদী নাফতালি বেনেটের নেতৃত্বে নতুন জোট সরকারকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
এরই মধ্যে জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন নাফতালি বেনেত। ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটের অধিবেশন শুরু হয় বিকেল ৪টায়। সেখানে বক্তব্য রাখেন নাফতালি বেনেট, ইয়ার লাপিদ ও নেতানিয়াহু। এরপর শুরু হয় ভোট, যেখানে জয় পায় বিরোধী দল।
দুই বছরের মধ্যে চারটি নির্বাচনের মাধ্যমে বিভক্ত দেশকে একত্রিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ৪৯ বছর বয়সী বেনেট। তিনি বলেন, তার সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাবে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের মতো বিষয়গুলোকে তারা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সংস্কার করবেন।
বেনেট তার বক্তব্যে বলেন, “এটি শোকের দিন নয়। গণতন্ত্রে সরকার পরিবর্তন হয়। আমরা আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করবো, যাতে কারো ভয়ে কেউ ভীত না হয়... এবং যারা আজ রাতে উদযাপন করার ইচ্ছাপোষণ করেছেন তাদের বলছি, অন্যের দুঃখে নাচবেন না। আমরা শত্রু নই; আমরা একই রক্তের মানুষ।”
অন্যদিকে দেশটির সবচেয়ে দীর্ঘসময় ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ডানপন্থী লিকুদ পার্টির প্রধান হিসেবে বিরোধী দলীয় নেতা হবেন। রবিবার সংসদে বিতর্ক চলাকালে নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা আবার ফিরে আসব।”
নাফতালি বেনেটও একজন কট্টর ইহুদি জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক নেতা। কোয়ালিশন শরীকদের মধ্যে শুক্রবার সই হওয়া চুক্তি অনুযায়ী আগামী দুই বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকবেন কট্টর জাতীয়তাবাদী দল ইয়ামিনার নেতা নাফতালি বেনেট। তারপর ক্ষমতা চলে যাবে মধ্যপন্থী রাজনীতিক ইয়ার লাপিদের হাতে, যিনি ছিলেন নতুন এই জোট গঠনের মূল কারিগর ।
এদিকে, ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটকে স্বাগত জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ।

