প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন লেবাননের সেনাপ্রধান

শুক্রবার,

৩০ জানুয়ারি ২০২৬,

১৭ মাঘ ১৪৩২

শুক্রবার,

৩০ জানুয়ারি ২০২৬,

১৭ মাঘ ১৪৩২

Radio Today News

প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন লেবাননের সেনাপ্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯:১১, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬

Google News
প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন লেবাননের সেনাপ্রধান

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন লেবাননের সেনাপ্রধান জেনারেল রডলফ হায়কাল। আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটন সফরের মধ্য দিয়ে গত বছর নিয়োগ পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর আগে, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণে ধীরগতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন ও আইনপ্রণেতাদের অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে গত নভেম্বর মাসে পরিকল্পিত একটি সফর বাতিল করা হয়েছিল।

লেবাননের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার জেনারেল হায়কাল যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পায় অবস্থিত ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সদর দপ্তরে সফর শুরু করবেন। পরে সেদিনই তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে যাবেন এবং মঙ্গলবার পেন্টাগন ও কংগ্রেসের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

এই সফরে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে লেবানিজ আর্মড ফোর্সেসের (এলএএফ) জন্য চলমান এবং সম্ভাব্যভাবে বাড়তি সামরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। ২০০৬ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রই এলএএফের সবচেয়ে বড় দাতা। যদিও মাঝে মাঝে সেনাবাহিনীর হিজবুল্লাহর প্রতি নমনীয় অবস্থান নিয়ে সমালোচনা হয়েছে, তবুও আইএসবিরোধী লড়াইয়ে এলএএফ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং দেশটির রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক বিভাজনের ঊর্ধ্বে থাকা একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত।

ট্রাম্প প্রশাসন সাম্প্রতিক মাসগুলোতে চারটি সামরিক সহায়তা প্যাকেজ অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে গত সেপ্টেম্বর ১ কোটি ৪২ লাখ ডলারের একটি প্রেসিডেনশিয়াল ড্রডাউন এবং অক্টোবরে এলএএফ ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য ২৪ কোটি ডলারের সহায়তা প্যাকেজ অন্তর্ভুক্ত। পেন্টাগনের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব সহায়তার লক্ষ্য হলো হিজবুল্লাহসহ অরাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অস্ত্রভাণ্ডার ও সামরিক অবকাঠামো ভেঙে ফেলার সক্ষমতা বাড়ানো।

আগামী ৫ মার্চ প্যারিসে এলএএফ ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় একটি আন্তর্জাতিক দাতা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সফরের সময় মার্কিন আইনপ্রণেতারা হিজবুল্লাহ ও অন্যান্য অরাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠী নিরস্ত্রীকরণে লেবাননের সেনাবাহিনীর পরিকল্পনা নিয়ে জেনারেল হায়কালকে কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি করতে পারেন। বিশেষ করে সিনেটের বরাদ্দবিষয়ক কমিটি ভবিষ্যৎ মার্কিন সহায়তার ব্যবহার নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাইছে।

উল্লেখ্য, গত বছর লেবাননের সেনাবাহিনী ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরগুলো থেকে অস্ত্র অপসারণে নজিরবিহীন অভিযান শুরু করে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানায়, তবে ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য এখনো হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণ, যাকে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখে।

সূত্র: আল-আরাবিয়া

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের