চীন থেকে জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কেনার দ্বারপ্রান্তে ইরান

মঙ্গলবার,

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

১২ ফাল্গুন ১৪৩২

মঙ্গলবার,

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

১২ ফাল্গুন ১৪৩২

Radio Today News

চীন থেকে জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কেনার দ্বারপ্রান্তে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৫২, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Google News
চীন থেকে জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র কেনার দ্বারপ্রান্তে ইরান

চীনের কাছে থেকে জাহাজ বিধ্বংসী সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে যাচ্ছে ইরান। এ নিয়ে দুই দেশ একটি চুক্তির দ্বারপ্রান্তে আছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ছয়জন ব্যক্তি।

এই খবর এমন সময়ে এলো যখন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আশপাশে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে। দেশটির সমুদ্র উপকূলের কাছে বিশাল নৌবহরও মোতায়েন করেছে। এ অবস্থায় সূত্রগুলো জানাচ্ছে, তেহরান ও বেইজিং জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র কেনাবেচা চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে।  

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, চীনের তৈরি সিএম-৩০২ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার চুক্তিটি প্রায় শেষের দিকে। তবে এখনও এটি চূড়ান্ত করার তারিখ নির্ধারণ হয়নি। এই সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পাল্লা প্রায় ২৯০ কিলোমিটার। এগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠের খুব নিচ দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ওড়ে। জাহাজের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়িয়ে চলতেও সক্ষম। 

দুজন অস্ত্র বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, এ ধরনের অস্ত্র মোতায়েন হলে ইরানের আক্রমণ ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। এটি মার্কিন নৌবাহিনীর জন্যও বড় হুমকি হয়ে উঠবে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র কেনার এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল দুই বছর আগে। গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতের পর আলোচনার গতি বাড়ে। গত গ্রীষ্মে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়। তখন ইরানের শীর্ষ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তারা চীন সফর করেন। তাদের মধ্যে দেশটির উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাসউদ ওরায়েই-ও ছিলেন।

ইসরায়েলের গোয়েন্দা বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা এবং ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ ইরান গবেষক ড্যানি সিট্রিনোভিচ বলছেন, ইরানের হাতে যদি জাহাজে হামলা করার মতো সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তবে তা যুদ্ধের সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে দেবে। কারণ, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন।

সম্ভাব্য চুক্তিতে কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত, ইরান কত অর্থ দিতে রাজি হয়েছে অথবা চীন শেষ পর্যন্ত চুক্তি বাস্তবায়ন করবে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, মিত্রদের সঙ্গে ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা চুক্তি আছে। এই চুক্তিগুলো কাজে লাগানোর এখনই উপযুক্ত সময়।

জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনা প্রতিনিধি দল রয়টার্সকে চুক্তির বিষয়ে জানতে বেইজিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেয়। তবে চীনের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মন্তব্যের অনুরোধে কোনো সাড়া দেয়নি।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের