বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখেছিলেন মার্কিন স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগান। সেই লাল কার্ডের জন্য শাস্তিস্বরূপ শেষ ষোলোয় বেলজিয়ামের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচটি মিস করার কথা তার। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে সেই লাল কার্ডের জন্য এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা এক বছরের জন্য স্থগিত করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। এর ফলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে বালোগানের খেলতে আর বাধা নেই।
বিশ্বকাপের মতো আসরে রাজনৈতিক চাপের কাছে ফিফার নুয়ে পড়া নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই ফিফা সভাপতিকে লাল কার্ডের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য ফোন দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন ট্রাম্প। বলেন, বালোগানকে লাল কার্ড দেখানো এবং এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করার জন্য ব্যক্তিগতভাবে ফিফা প্রধান জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে অনুরোধ করেছিলেন তিনি।
সোমবার (৬ জুলাই) ওভাল অফিস থেকে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি কেবল বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে বলেছিলাম। আমি এমনটা বলিনি যে, আপনাকে এটা করতেই হবে।’ তার মতে, বালোগানের ট্যাকলটি ফাউল ছিল না। বরং ঘটনাটিকে ‘পূর্ণ গতিতে দৌড়াতে থাকা দুজন মানুষের আকস্মিক সংঘর্ষ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।
ট্রাম্প যোগ করেন, “আমি তাকে (ইনফান্তিনো) কী করতে হবে তা বলে দিইনি। আমি তাকে সেটা বলতেও পারি না।’
পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র বনাম বসনিয়া ম্যাচের ব্রাজিলিয়ান রেফারি রাফায়েল ক্লাউসের সততা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্প। তাকে কিছুটা ‘সন্দেহজনক’ আখ্যা দিয়ে সাংবাদিকদের রেফারির ‘অতীত ঘেঁটে দেখার’ আহ্বান জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এদিকে বালোগানের নিষেধাজ্ঞা এক বছরের জন্য স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিপাকে পড়েছে ফিফা। কড়া ভাষায় তাদের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে ইউরোপীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা উয়েফা। এ ছাড়া বেলজিয়ামের ফুটবল ফেডারেশন, বেলজিয়ান জাতীয় দলের কোচ রুদি গার্সিয়া, জার্মান কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপও বিতর্কিত এই সিদ্ধান্তের জন্য ফিফাকে কাঠগড়ায় তুলেছেন।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

