আমেরিকার ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ যোগ দেওয়া দেশগুলোকে ইরান শত্রু হিসেবে বিবেচনা করবে

রোববার,

২৩ আগস্ট ২০২৬,

৮ ভাদ্র ১৪৩৩

রোববার,

২৩ আগস্ট ২০২৬,

৮ ভাদ্র ১৪৩৩

Radio Today News

মোহসেন রেজাই

আমেরিকার ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ যোগ দেওয়া দেশগুলোকে ইরান শত্রু হিসেবে বিবেচনা করবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:১০, ২৩ আগস্ট ২০২৬

আপডেট: ২০:১০, ২৩ আগস্ট ২০২৬

Google News
আমেরিকার ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ যোগ দেওয়া দেশগুলোকে ইরান শত্রু হিসেবে বিবেচনা করবে

যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের 'অর্থনৈতিক যুদ্ধে' অংশ নেবে, ইরান তাদের শত্রু হিসেবে গণ্য করবে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি মোহসেন রেজাই।

এর আগে, ইরান ওই অঞ্চলের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে সেগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছিল।

বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা স্থগিত রয়েছে।

তবে শুক্রবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, গত ছয় মাসের এই বিরোধ অবসানের সময় এসেছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে এবং অন্যান্য দেশগুলোকেও ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক শেষ করার আহ্বান জানিয়েছে।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অহেতুক হামলার পর দেশগুলোর মধ্যে পারমাণবিক বোমা অর্জনের ‘আকাঙ্ক্ষা বেড়েছে।’

মোহসেন রেজায়ি বলেন, আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন মেনে চলার পরও যদি কোনো দেশে হামলা প্রতিরোধ করা না যায়, তাহলে “আমরা কেন পারমাণবিক বোমা অর্জন করব না?”

তিনি মনে করেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কারণে কিছু দেশ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করাটাই আরো ভালো প্রতিরক্ষামূলক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে।

তারা দাবি করেন, ইরান যখন পারমাণবিক অসংযোজন চুক্তি বা নিউক্লিয়ার নন-প্রোলিফেরেশান ট্রিটির সদস্য ছিল এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সঙ্গে ব্যাপকভাবে সহযোগিতা করছিল, তখনই ইরানকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছিল।

তিনি বলেন, এখন পুরো বিশ্ব বলছে, এনপিটি বা পরমাণু শক্তি সংস্থার সদস্যপদ, কোনোটিই কার্যকর নয়। এর ফলে বিভিন্ন দেশের মধ্যে পারমাণবিক বোমা অর্জনের ‘আকাঙ্ক্ষা’ বেড়ে গেছে।

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই তার সাক্ষাৎকারে হরমুজ প্রণালি নিয়েও সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যদি কোনো দেশ ইরানের বিরুদ্ধে তথাকথিত “অর্থনৈতিক যুদ্ধে” লিপ্ত হয়, তবে ইরান হরমুজ প্রণালি এবং পারস্য উপসাগর থেকে “এক ফোঁটা তেলও” বের হতে দেবে না।

তিনি আরো বলেন, ইরান তার যুদ্ধকৌশল এবং কূটনৈতিক আচরণে পরিবর্তন আনবে।

দেশটির এই কর্মকর্তার দাবি, সামরিক হামলায় ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এখন অবরোধ ও অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিজেদের অনুকূলে আনার চেষ্টা করছে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের