বৃহস্পতিবার,

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

২ আশ্বিন ১৪৩৩

বৃহস্পতিবার,

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

২ আশ্বিন ১৪৩৩

Radio Today News

বিদেশি শিক্ষার্থীদের লাগাম টানছে অস্ট্রেলিয়া, বন্ধ হচ্ছে পরিবার আনার সুযোগ

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১০:২২, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১০:২২, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Google News
বিদেশি শিক্ষার্থীদের লাগাম টানছে অস্ট্রেলিয়া, বন্ধ হচ্ছে পরিবার আনার সুযোগ

অভিবাসন কমাতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বড় ধরনের বিধি-নিষেধ আনতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। নতুন নিয়মে পড়াশোনার সময় শিক্ষার্থীরা তাদের সঙ্গী ও সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে দেশটিতে থাকার সুযোগ হারাতে পারেন। একই সঙ্গে অস্থায়ী অভিবাসীদের ভিসা পরিবর্তনের নিয়মও আরো কঠোর করার পরিকল্পনা করেছে দেশটির সরকার।

বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। দেশটির অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কের বক্তব্য দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
 
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় নিট বিদেশি অভিবাসন কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা হবে। বর্তমানে এই সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ। 

বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে দেওয়া এক বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এ বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণা দেবেন বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এবিসি নিউজ।
 
বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্বামী, স্ত্রী বা সঙ্গীরা তাদের সঙ্গে দেশটিতে থাকতে পারেন এবং কাজও করতে পারেন। তবে শিক্ষার্থীর পড়াশোনার কোর্সের ধরন অনুযায়ী তাদের কাজের অনুমোদিত সময় ভিন্ন হয়ে থাকে। এ ছাড়া ১৮ বছরের কম বয়সী নির্ভরশীল সন্তানদেরও অস্ট্রেলিয়ায় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

সরকারের এই নতুন উদ্যোগ যখন আসছে, তখন কট্টর ডানপন্থী ওয়ান নেশন পার্টি সাম্প্রতিক জনমত জরিপে সমর্থন বাড়াচ্ছে। দলটি চলতি সপ্তাহে জানিয়েছে, তিন বছরে অস্থায়ী অভিবাসীর সংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজার কমিয়ে অস্ট্রেলীয়দের জন্য ‘স্বস্তির জায়গা’ তৈরি করতে চায়।
 
‘অস্ট্রেলিয়া ফার্স্ট’ নীতির কথা বলা ওয়ান নেশন প্রাথমিক তিন বছর পর নিট বিদেশি অভিবাসন বছরে ১ লাখ ৩০ হাজারে সীমিত রাখার লক্ষ্য নির্ধারণের কথা জানিয়েছে। দলটির প্রস্তাবিত কর্মসূচি প্রতিবছর পর্যালোচনা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। দলটির কিছু নীতির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির তুলনা করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বৃদ্ধির পেছনে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, ব্যাকপ্যাকার এবং অস্থায়ী দক্ষ কর্মীদের বড় ভূমিকা রয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রায় দুই বছর পর কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সীমান্ত বিধি-নিষেধ তুলে দেশটি পুনরায় সীমান্ত খুলে দেওয়ার পর অভিবাসনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
 
তবে গত দুই বছর ধরে এই সংখ্যা কমার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। একই সময়ে সমালোচকরা দাবি করে আসছেন, অভিবাসীদের বড় প্রবাহ দেশটির আবাসন ও অবকাঠামোর ওপর চাপ বাড়িয়েছে এবং সামাজিক সংহতিতেও চাপ তৈরি করেছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া বছরে অস্ট্রেলিয়ার নিট বিদেশি অভিবাসন ছিল ৩ লাখ ৬ হাজার। এর অর্ধেকেরও বেশি ছিলেন বিদেশি শিক্ষার্থী। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ২৯ হাজার। এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৩ সালে, নিট অভিবাসন সর্বোচ্চ ৫ লাখ ১৮ হাজারে পৌঁছেছিল। সূত্র : রয়টার্স

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের


Warning: Undefined variable $sAddThis in /home/radio4to0da9y/public_html/details.php on line 536