বৃহস্পতিবার,

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বৃহস্পতিবার,

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,

৯ আশ্বিন ১৪৩৩

Radio Today News

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হলেন পাকিস্তানের সাবেক সেনা কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:১৬, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ২২:১৭, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Google News
মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হলেন পাকিস্তানের সাবেক সেনা কর্মকর্তা

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপাক্ষিক ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’র প্রথম মহাসচিব হিসেবে পাকিস্তানের সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেল নোমান মাহমুদকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে তার নিয়োগের বিষয়টি জানিয়েছে। রিয়াদে অবস্থিত জোটের সাধারণ সচিবালয়ের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নোমান মাহমুদ।

নোমান মাহমুদ ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ইসলামাবাদের ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটির (এনডিইউ) প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ১৯৮৭ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া এই কর্মকর্তা ২০২৩ সালে অবসর নেন।

এর আগে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ মক্কায় ত্রিপাক্ষিক যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করেন।

চুক্তির আওতায় তিন দেশের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার পাশাপাশি নিরাপত্তা, শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান হলো, জোটের কোনো একটি সদস্য দেশের ওপর সামরিক হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের বিরুদ্ধেই হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে গড়ে ওঠা একটি ত্রিপাক্ষিক নিরাপত্তা কাঠামো। সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বড় অর্থনীতি, তুরস্ক ন্যাটোর সদস্য এবং পাকিস্তান পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ হওয়ায় তিন দেশের এই সমন্বয়কে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দীর্ঘদিনের সৌদি-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা সম্পর্কের পরিধি আরও বাড়াতে এতে তুরস্ককে যুক্ত করা হয়েছে। মক্কায় চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় এটি ‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোট’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।

জোটের পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকটা ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অর্থাৎ, কোনো সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আগ্রাসন হলে সেটিকে পুরো জোটের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার নীতি এতে রাখা হয়েছে।

চুক্তির আওতায় শুধু সামরিক প্রতিরক্ষা নয়, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, যৌথ সামরিক মহড়া, ড্রোন প্রযুক্তিতে সহযোগিতা এবং আধুনিক অস্ত্র উৎপাদনে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ও রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতার মধ্যে তিন দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ হিসেবে এই জোটকে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: এএফপি

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের


Warning: Undefined variable $sAddThis in /home/radio4to0da9y/public_html/details.php on line 536