সোমবার,

০৫ অক্টোবর ২০২৬,

২০ আশ্বিন ১৪৩৩

সোমবার,

০৫ অক্টোবর ২০২৬,

২০ আশ্বিন ১৪৩৩

Radio Today News

নোবেল পুরস্কার সপ্তাহ শুরু, ওজন কমানোর ওষুধের গবেষণা পুরস্কারের সম্ভাবনা

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৪:৩১, ৫ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ১৪:৩১, ৫ অক্টোবর ২০২৬

Google News
নোবেল পুরস্কার সপ্তাহ শুরু, ওজন কমানোর ওষুধের গবেষণা পুরস্কারের সম্ভাবনা

ক্ষুধা ও পরিতৃপ্তি নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন নিয়ে গবেষণাই এ বছর নোবেল চিকিৎসাবিজ্ঞান পুরস্কার পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি। সোমবার এই পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার ঘোষণার সপ্তাহ।

চিকিৎসাবিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে এ বছরের নোবেল পুরস্কার ৫ থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন ঘোষণা করা হবে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
আজ সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে (গ্রিনিচ সময় ০৯টা ৩০ মিনিট) চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। নোবেল পর্যবেক্ষকদের মতে, ওজেম্পিক ও মাউঞ্জারোর মতো ওজন কমানোর ওষুধ তৈরির পথ তৈরি করা গবেষণা এবার এই পুরস্কার পেতে পারে।

এর মধ্যে রয়েছে মানবদেহের মাইক্রোবায়োম নিয়ে গবেষণা, ক্ষুধা ও পেট ভরা অনুভূতি নিয়ন্ত্রণকারী লেপটিন ও ঘ্রেলিন হরমোনের আবিষ্কার, এবং খাবার খাওয়ার পর অন্ত্র থেকে নিঃসৃত গ্লুকাগন-লাইক পেপটাইড-১ (জিএলপি-১) নামের হরমোন নিয়ে গবেষণা। ওজেম্পিকের মতো ওষুধ এই হরমোনের কার্যপ্রক্রিয়াকে অনুকরণ করে।

নোবেল পুরস্কারের সম্ভাব্য বিজয়ীদের নিয়ে গবেষণা করে ডেটা বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ক্ল্যারিভেট। প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান ডেভিড পেন্ডেলবুরি বলেন, এসব গবেষণার যেকোনো একটির স্বীকৃতি হিসেবে নোবেল দেওয়া হতে পারে।

তার মতে, জিএলপি-১ গবেষণাই সবচেয়ে এগিয়ে, কারণ বিশ্বজুড়ে এর চিকিৎসাগত প্রভাব অত্যন্ত বড়।

এই ক্ষেত্রে অনেক বিজ্ঞানীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তবে নোবেলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিয়মিতভাবে তিনজনের নাম আলোচনায় আসে—কানাডার হরমোন বিশেষজ্ঞ ড্যানিয়েল ড্রাকার, ডেনমার্কের চিকিৎসক ইয়েন্স জুল হলস্ট এবং যুগোস্লাভিয়ায় জন্ম নেওয়া মার্কিন রসায়নবিদ স্বেতলানা মোইসভ।

ত্বকের পুনর্গঠন নাকি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা?
নোবেল কমিটি যদি অন্য কোনো দিকে নজর দেয়, তাহলে ত্বক কীভাবে নিজেকে পুনর্গঠন করে এবং ক্ষত সারিয়ে তোলে—এ নিয়ে স্টেম সেল গবেষণা পুরস্কার পেতে পারে।

সুইডিশ সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এসআরের বিজ্ঞানবিষয়ক প্রতিবেদক আনিকা ওস্টম্যান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোষবিজ্ঞানী এলাইন ফুকস এবং ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ফিওনা ওয়াট এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ গবেষক।

চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন একটি ইমেজিং প্রযুক্তি—অপটিক্যাল কোহেরেন্স টমোগ্রাফি নিয়েও পুরস্কার দেওয়া হতে পারে। 
এই অ-আক্রমণাত্মক প্রযুক্তিতে প্রতিফলিত আলো ব্যবহার করে শরীরের বিভিন্ন টিস্যুর উচ্চ-রেজোলিউশনের ক্রস-সেকশনাল ছবি তৈরি করা হয়। 

বিশেষ করে চোখের রেটিনা ও অপটিক নার্ভের বিস্তারিত ছবি পাওয়ার মাধ্যমে চিকিৎসকেরা বিভিন্ন রোগ শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণ করতে পারেন।

আরও একটি ক্ষেত্র যা সম্ভবত মেডিসিন কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, তা হলো রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অ্যাডহেশন রিসেপ্টর, যা মার্কিন ইমিউনোলজিস্ট টিমোথি স্প্রিংগার শনাক্ত করেছেন।

এসব রিসেপ্টর রোগ প্রতিরোধকারী কোষকে রক্তনালির সঙ্গে যুক্ত হতে, টিস্যুর ভেতরে প্রবেশ করতে এবং সংক্রমণের স্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করে। প্রদাহজনিত ও অটোইমিউন রোগের চিকিৎসা নিয়ে গবেষণাতেও এগুলো গুরুত্বপূর্ণ।

এ ছাড়া স্তন ক্যানসার গবেষণা কিংবা করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সহায়ক ডিএনএ সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তির গবেষণাও পুরস্কারের জন্য বিবেচনায় আসতে পারে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের পুরস্কারের পর মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল এবং বুধবার রসায়নের নোবেল।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের


Warning: Undefined variable $sAddThis in /home/radio4to0da9y/public_html/details.php on line 536