জুলাই পদযাত্রায় হামলার ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতিসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরো ১০০ জনের নামে জেলা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি।
বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে হবিগঞ্জের কামাইছডা পুলিশ ক্যাম্পে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে তারা অভিযোগ দায়ের করেন।
এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের প্রেস সেক্রেটারি নুর হোসেন বিবিসি বাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, এনসিপির পক্ষ থেকে পুলিশ সুপারের কাছে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেখানে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে জেলা ছাত্রদলের সভাপতিকে।
এই অভিযোগ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারেক মাহমুদ।
বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, “এনসিপির পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেটি প্রসেসিংয়ের ভেতরেই আছে। এনসিপি নেতারা অভিযোগ দিয়ে মৌলভীবাজারের পথে রওনা হয়েছেন”।
পথে পথে এনসিপি নেতাদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার মি. মাহমুদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, “যেহেতু একটা উত্তেজনা ছিল, ১৪৪ ধারা জারি ছিল, তাই তাদের নিরাপত্তার স্বার্থেই পুলিশ কিছু জায়গায় বাধা দিয়েছে”।
এর আগে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে অন্তত তিন জায়গায় বাধা দেয় পুলিশ। এই তিনটি বাধা অতিক্রম করে হবিগঞ্জের পথে এগোতেই আরেক দফা বাধার মুখে পড়েন এনসিপির শীর্ষ নেতারা।
হবিগঞ্জের মিরপুর এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ গাড়িবহর আটকে দেয়। পরে সেখানেই বসে পড়েন নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এনসিপির শীর্ষ নেতারা।
পরে রাতে পুলিশের কাছে অভিযোগ জমা দেন আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলটির সিনিয়র নেতারা।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

