অতিরিক্ত তৈলাক্ত কিংবা শুষ্ক ত্বক কি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়?

শনিবার,

০১ আগস্ট ২০২৬,

১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

শনিবার,

০১ আগস্ট ২০২৬,

১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

Radio Today News

অতিরিক্ত তৈলাক্ত কিংবা শুষ্ক ত্বক কি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়?

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৯:১০, ১ আগস্ট ২০২৬

Google News
অতিরিক্ত তৈলাক্ত কিংবা শুষ্ক ত্বক কি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়?

এমনকি দুই ধরনের সম্মানয়ে মিশ্র বা মিশ্র ত্বক। আর ত্বকভেদে যত্ন নেওয়ার পণ্যগুলোও আলাদা হয়। এখন প্রশ্ন থেকে যায় ত্বকের ধরনভেদে কি ‘স্কিক ক্যান্সার’ হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। বিশেষ করে যাদের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক তারা কি ঝুঁকিতে।

খবর হিন্দুস্তান টাইমস

ভারতের মুম্বাইয়ের বোরিভালির এইচসিজি ক্যান্সার হাসপাতালের রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগের পরামর্শক ডা. অমৃতা শ্রীবাস্তব বলেন, অনেকেই ভাবেন যে, অতিরিক্ত সিবামের কারণে তৈলাক্ত ত্বক স্বাভাবিকভাবেই সুরক্ষিত থাকে, অন্যদিকে শুষ্ক ত্বক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু এটাই কি ক্যান্সারের কারণ হতে পারে? প্রচলিত ধারণা নিয়ে ডা. অমৃতা শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন পরিবেশগত ক্ষতি থেকে ত্বককে কতটা সুরক্ষিত রাখা হচ্ছে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরা জানান, শুষ্ক ত্বকে বিশেষ করে শীতকালে বা দীর্ঘ সময় শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে থাকলে ত্বকের প্রতিরক্ষামূলক স্তরে সূক্ষ্ম ফাটল তৈরি হতে পারে। এতে অতিবেগুনি রশ্মি, দূষণ ও বিভিন্ন ধরনের জ্বালাপোড়ার প্রভাব সহজে পড়তে পারে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে, শুষ্ক ত্বক থাকলেই ত্বকের ক্যান্সার হবে।

অন্যদিকে, অনেকেই মনে করেন তৈলাক্ত ত্বকের অতিরিক্ত তেল সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়। ডা. অমৃতা শ্রীবাস্তব এ ধারণাকে ভুল বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ত্বকের অতিরিক্ত তেল কখনোই অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয় না। তাই তৈলাক্ত ত্বকের মানুষদেরও নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।

স্কিন ক্যান্সারের কারণ

ক্যান্সারের কারণ নিয়ে ডা. অমৃতা শ্রীবাস্তব জানান, ত্বকের ক্যান্সার হওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ঝুঁকিগুলো হলো দীর্ঘ সময় রোদে থাকা, শরীরে পানিশূন্যতা, সানস্ক্রিন ব্যবহার না করা এবং ত্বকে নতুন বা অস্বাভাবিক পরিবর্তনকে গুরুত্ব না দেওয়া। অতিরিক্ত গরমে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব ও ত্বকের প্রদাহ বাড়তে পারে। আবার প্রচণ্ড ঠান্ডা বাতাস ত্বকের স্বাভাবিক সুরক্ষাব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিতে পারে। ফলে দুই ধরনের আবহাওয়াতেই ত্বক ক্ষতির মুখে পড়ে।

ত্বকের সুরক্ষায়

ত্বক সুস্থ রাখতে এবং ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ হলো প্রতিদিন কমপক্ষে এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। সেইসঙ্গে পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ন। রোদে বের হলে শরীর ঢেকে রাখে এমন পোশাক পরা এবং ত্বকে নতুন কোনো দাগ, তিল বা অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া।

সবশেষে বলা যায় ত্বকের যত্ন নেয়া গুরুত্বপূর্ণ। আর স্বাস্থ্যকরজীবন যাপন করতে তবে। ত্বকের ধরনের সঙ্গে ক্যান্সারের ঝুঁকি আছে এটা ভুল ধারণা। যদি ত্বকের সমস্যা দেখেন তাহলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসক আপনাকে সঠিক দিক নির্দেশনা নিতে হবে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের