অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘিরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকায় কয়েক স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়োজিত থাকবে ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য। ডিএমপি জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশি কূটনীতিকদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাত ১২টা ৪০ মিনিটের পর শহীদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, মাতৃভাষা দিবস ঘিরে কোনো ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা নেই। পুলিশ ও অন্য বাহিনীর পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবে। নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে ডগ স্কোয়াড, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ক্রাইমসিন ইউনিটসহ বিশেষ ফোর্স।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে যেমন কোনো নিরাপত্তাহীনতা ছিলো না, তেমনি মাতৃভাষা দিবসেও নিরাপত্তার কোনো ঘাটতি থাকবে না।
শ্রদ্ধা জানাতে আসা জনসাধারণের যাতায়াতের জন্য নির্দিষ্ট রুট ম্যাপ অনুসরণ করতে বলেছে ডিএমপি। কমিশনার জানান, আসার পথে পলাশীর মোড় থেকে জগন্নাথ হল ক্রসিং হয়ে শহীদ মিনারে প্রবেশ করতে হবে। আর যাওয়ার পথে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়েল চত্বর দিয়ে চানখাঁরপুল হয়ে শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করতে হবে।
এছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকেই রাজধানীর সাতটি পয়েন্টে সড়ক ডাইভারশন দেওয়া হবে। শহীদ মিনার এলাকায় কোনো ধরনের ধারালো অস্ত্র, দাহ্য বস্তু বা ব্যাগ নিয়ে আসা নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার।
পাশাপাশি নাগরিকদের এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান সফল করতে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহবানও জানান তিনি।
এসময় র্যাব মহাপরিচালক এ কে এম শহীদুর রহমান, বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘিরে কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই। ফুট প্যাট্রল, বোম্ব ডিসপোজাল টিম থাকবে স্টেন্ডবাই। ৬৬ ক্যামেরার মাধ্যমে পুরোপুরি সিসিটিবির আওতায় আনা হয়েছে। ৩০০ জন র্যাব সদস্য শহিদ মিনারসহ আশপাশ এলাকায় কাজ করবে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

