দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আজ অনুষ্ঠিত হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। আজ (বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। ১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ওই বছরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রথম ভোট হয়েছিলো। এরপর সাতজন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এবার দ্বিতীয়বারের মতো ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের রায়ের ওপর নির্ভর করে নির্বাচিত হবেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুই প্রার্থী বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে গতকাল (বুধবার, ১৯ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ব্রিফিংয়ে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘এবারের নির্বাচন ‘‘ঐতিহাসিক’’।’ তার ভাষায়, ‘মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই একজন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ এবং দীর্ঘ সময় পর প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ায় এই নির্বাচনকে ঘিরে সবার আগ্রহ তৈরি হয়েছে।’
সিইসি বলেন, ‘১৯৯১ সালের পর প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে আর কোনো রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়নি। দীর্ঘ সময় পর নির্বাচন হওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতার কিছুটা ঘাটতি থাকলেও, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছি। আমাদের ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ৩৪৯ জন। ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট হবে। এখানে আমাদের রাষ্ট্রপতি (ভারপ্রাপ্ত) একজন ভোটার, প্রধানমন্ত্রী ভোটার, স্পিকার ভোটার, তেমনি বিরোধীদলের নেতাও ভোটার।’
নাসির উদ্দিন বলেন, ‘প্রথম দিকে যখন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা ভোট দেবেন তখন সরাসরি সম্প্রচার হবে। তারপর ৫টার সময় ভোট গণনা শুরু করলে আবারও সরাসরি সম্প্রচার হবে। সংসদ সদস্যরা যেহেতু ভোটার, ভোট দিয়েই চলে যাবেন এমন না, তারা উপস্থিত থাকতে পারবেন। এমনকি তারা ভোট গণনার সময়ও থাকতে পারবেন। এটা খুব স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হবে। সুতরাং এখানে কারও কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়।’
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

