ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ‘মাদকের আড্ডাখানা ও বেশ্যাখানা ছিল’ বলে মন্তব্য করা বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. শামীম আহসানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে দলটি। জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভিযুক্ত নেতার দলীয় সদস্য (রোকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে জেলা সহকারী সেক্রেটারিসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় আয়োজিত একটি নির্বাচনী পথসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করেন ওই নেতা। তার বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওই মন্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। বিষয়টি দলীয় নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি হওয়ায় এবং এতে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট নেতার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দলটির দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য বা কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়।
জামায়াতে ইসলামীর বরগুনা জেলার আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন সাংবাদিকদের বলেন, শামীম আহসান যে ভাষায় বক্তব্য দিয়েছেন, তা জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
এদিকে জামায়াত নেতা শামীম আহসানের অশালীন মন্তব্যের প্রতিবাদে আজ বরগুনা সরকারি কলেজ ও পাথরঘাটায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

