বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: রুমিন ফারহানা

শনিবার,

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

৯ ফাল্গুন ১৪৩২

শনিবার,

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

৯ ফাল্গুন ১৪৩২

Radio Today News

বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: রুমিন ফারহানা

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১০:৩১, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১০:৩৩, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Google News
বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: রুমিন ফারহানা

বিএনপি যদি স্থানীয় পর্যায়ে নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করলে, তার পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

আজ (শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে সরাইলের শাহবাজপুরে নিজ বাড়িতে সাংবাদিক কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে রাত ১২টার দিকে সরাইল উপজেলার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার মুখে পড়েন রুমিন ফারহানা।

সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী রুমিন ফারহানাকে উদ্দেশ্যে করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মী তার পুষ্পস্তবকটি ছিঁড়ে ফেলে বলে দাবি করেন তিনি।

এর ফলে শ্রদ্ধা নিবেদন না করেই কর্মী-সমর্থকদের প্রহরায় শহিদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা। এ ঘটনার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১২টার দিকে সরাইলের শাহবাজপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন রুমিন ফারহানার কর্মী-সমর্থকরা। এতে করে মহাসড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্সি অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে আমিই সবচেয়ে আগে ফুল দেব। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেখা গেলো যে, বিএনপির কিছু লোক রীতিমতো হামলা চালায় আমার নেতাকর্মীদের ওপর। আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়। আমি এটুকুই বলব যে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনায় এসেছে। বিএনপি যদি তার নেতাকর্মীদেরকে স্থানীয় পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ না করে এখনই, এর পরিণতি ভয়াবহ রকমের হবে।’

তিনি বলেন, ‘যেহেতু দীর্ঘ ১৫ বছর, একটা লম্বা সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা নানানভাবে চাপে ছিলো, লুকিয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছে; তারা যখন এরকম একটা ভয়ঙ্কর হিংস্রতা নিয়ে রাজনৈতিক পদের ব্যবহার করার চেষ্টা করে, এটা আমার মনে হয় দলের উঁচু পর্যায় থেকে বিষয়টি মনিটর করা উচিত। তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া না হলে, এটা দলের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর হবে। সরকারের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ণ হবে। সরকার মাত্রই এসেছে। আমি আশা করবো বিএনপি সরকার এবং দল হিসেবে এ ধরনের উশৃঙ্খল নেতাকর্মীদের ব্যাপারে তড়িৎ ব্যবস্থা নেবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ হামলাটি একেবারেই পরিকল্পিত। গুণ্ডা প্রকৃতির একটা লোকের (আনোয়ার হোসেন) নেতৃত্বে কিছু উশৃঙ্খল ছেলে হামলা চালায়। তাদের পরাজয় মেনে নেয়ার একটা কষ্ট আছে। আমি স্বতন্ত্র জিতে গেছি। ওনারা কোটি কোটি টাকার লেনদেন করেও পারেন নাই। ওনার (আনোয়ার হোসেন) ছেলে সেনাবাহিনীতে আছে, সেই পরিচয় ব্যবহার করে নানানভাবে চেষ্টা করেছে, কাজ হয়নি।’

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের