ভূমিকম্পে কাঁপলো দেশ

রোববার,

০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

১৯ মাঘ ১৪৩২

রোববার,

০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,

১৯ মাঘ ১৪৩২

Radio Today News

ভূমিকম্পে কাঁপলো দেশ

রেডিওটুডে রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৪:৩৩, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

Google News
ভূমিকম্পে কাঁপলো দেশ

দেশে তিন দশমিক শূন্য মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার অব সিসমোলজি (এনসিএস) জানায়, ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে আঘাত হানে। এনসিএসের বিবৃতি অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূ-পৃষ্ঠের ২০ কিলোমিটার গভীরে। এর অবস্থান নির্ণয় করা হয়েছে অক্ষাংশ ২৪.৮৫ ডিগ্রি উত্তর এবং দ্রাঘিমাংশ ৯২.০৭ ডিগ্রি পূর্বে, যা বাংলাদেশের ভেতরে পড়ে। খবর গালফ নিউজের।

এনসিএস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে জানায়, ‘০১/০২/২০২৬ তারিখ ভোর ৪টা ০২ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে বাংলাদেশে ৩.০ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ২০ কিলোমিটার।’

এদিকে আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্পবিষয়ক সংস্থা ভলক্যানো ডিসকাভারিতে বলা হয়েছে, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে বাংলাদেশে হালকা মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ২ মিনিটে (জিএমটি +৬) সিলেট বিভাগের সিলেট শহর থেকে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরে ৩.০ মাত্রার এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূ-পৃষ্ঠের তুলনামূলকভাবে অগভীর গভীরতায়-প্রায় ২০ কিলোমিটার (১২ মাইল)। তবে এ ভূমিকম্পে কোথাও কম্পন অনুভূত হয়েছে বা কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, ভূমিকম্পটি হালকা হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়নি এবং এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ তিনটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেট-ভারতীয়, ইউরেশীয় ও বার্মা প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ভারতীয় প্লেট প্রতি বছর প্রায় ৬ সেন্টিমিটার গতিতে উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে, অন্যদিকে ইউরেশীয় প্লেট উত্তর দিকে প্রায় ২ সেন্টিমিটার গতিতে সরে যাচ্ছে। এই ভূতাত্ত্বিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত।

দেশটির আশপাশে বগুড়া ফল্ট, ত্রিপুরা ফল্ট, শিলং মালভূমি, ডাউকি ফল্ট ও আসাম ফল্টসহ একাধিক সক্রিয় চ্যুতি রেখা রয়েছে। এসব কারণে বাংলাদেশকে ১৩টি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের জৈন্তাপুর অঞ্চলকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এদিকে রাজধানী ঢাকা বিশ্বের অন্যতম জনবহুল শহর। প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৩০ হাজারের বেশি মানুষের বসবাসের কারণে শহরটিকে বিশ্বের ২০টি সবচেয়ে ভূমিকম্প-ঝুঁকিপূর্ণ শহরের একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের