রাজধানীর মধুবাগের শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের নির্বাচনী পরিবেশ দিনের শুরুতে ছিল শান্ত। কেন্দ্রে সাধারণ ভোটারদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও, প্রবীণ নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
সকাল সাড়ে সাতটার দিকে এই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৮০৮ জন। তবে শুরুর দুই ঘণ্টায় অর্থাৎ সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়ে ১৫৫টি। যদিও প্রতিটি রাজনৈতিক দলের পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতিতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু থেকেই ছিল সুশৃঙ্খল।
সরেজমিনে দেখা যায়, কেন্দ্রের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অধিকাংশ ভোটারই প্রবীণ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তীব্রতা এবং দীর্ঘ সারি এড়াতে তারা ভোটগ্রহণ শুরুর প্রথম ঘণ্টাতেই কেন্দ্রে আসেন। ৬৫ বছর বয়সী কুলসুম বিবি বলেন, বয়স হয়েছে, বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারি না। পরে মানুষের ভিড় হলে কষ্ট হবে, তাই নাতিকে নিয়ে সকালেই ভোট দিতে চলে এলাম। শান্তিতে ভোট দিতে পেরে ভালো লাগছে।
একই কেন্দ্রে লাঠিতে ভর দিয়ে ভোট দিতে আসা সত্তরোর্ধ্ব রাবেয়া খাতুন বলেন, ‘সকাল সকাল চলে আসছি। শরীরটা ভালো না, তাই জটলা হওয়ার আগেই ভোট দিতে এলাম।’
প্রবীণদের আধিক্য থাকলেও কেন্দ্রের অন্য সারিতে কিছু তরুণ ভোটারের উপস্থিতিও দেখা গেছে। প্রথমবার ভোট দিতে আসা জেনিন নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, নতুন ভোটার হিসেবে একটু উত্তেজনা কাজ করছে। তাই দেরি না করে সকালেই চলে এসেছি।
নির্বাচনী পরিবেশ ও উপস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ইতিবাচক আশা ব্যক্ত করে বলেন, আমরা সঠিক সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু করেছি। পোলিং এজেন্টরা সবাই যথাসময়ে উপস্থিত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত উপস্থিতি কিছুটা কম মনে হলেও, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের সংখ্যা আরও বাড়বে।
কেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।
রেডিওটুডে নিউজ/আনাম

