রোববার,

২২ মে ২০২২,

৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

রোববার,

২২ মে ২০২২,

৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

Radio Today News

মধ্যরাতে শাবিতে হাজারো শিক্ষার্থীর মশাল মিছিল

শাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০২:০৮, ২১ জানুয়ারি ২০২২

মধ্যরাতে শাবিতে হাজারো শিক্ষার্থীর মশাল মিছিল

ছবি সংগৃহীত

ভিসির পদত্যাগের একদফা দাবিতে আন্দোলন চলছে সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। ইতোমধ্যে আমরণ অনশন গড়িয়ে প্রায় ৩৬ ঘণ্টা। এরই মধ্যে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সাত শিক্ষার্থী। অথচ অনড় অবস্থানে রয়েছে ভিসি ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।   অবস্থায় বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল করেছেন  শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় উপাচার্যের বাসভবনের সামনে থেকে মশাল মিছিল শুরু করেন তারা। এসময় শত শত শিক্ষার্থী মিছিলে অংশ নেন। মিছিলেজ্বালো, জ্বালো, আগুন জ্বালো, আগুন জ্বালো এক সঙ্গে, ফরিদের গতিতে। আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না, একশন একশন, ডায়রেক্ট একশন। আমার ভাই আহত কেন? প্রশাসন জবাব চাই এক-দুই-তিন চার, ফরিদ তুই গদি ছাড়। সৈরাচারের গদিতে, আগুন জ্বালো এক সঙ্গে।' ইত্যাদি শ্লোগান দেন।

উপাচার্যের বাসভবনের সামন থেকে শুরু হওয়া মশাল মিছিল চেতনা একাত্তরের সামনে পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে ফের উপাচার্যর বাসভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

এদিকে ছেলের অনশনের খবর পেয়ে আসাদুজ্জামান নামের এক শিক্ষার্থীর বাবা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে মানবিক কারণে ওই শিক্ষার্থী অনশন ছেড়ে বাবাকে দেখতে হাসপাতালে চলে যান। 

এর আগে ১৯ জানুয়ারি উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে শুরু হয় অনশন। অনশন এখন গড়িয়েছে ৩১ ঘণ্টায়। এর মধ্যে কোনো সমাধান আসেনি।

তবে বুধবার রাত থেকে এখন পর্যন্ত শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল তিন দফায় অনশনস্থলে এসে শিক্ষার্থীদের বুঝানোর চেষ্টা করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক . আনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে শিক্ষকরা অনশনে থাকাদের সঙ্গে কথা বলতে আসেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, হল প্রভোস্টের পদত্যাগের দাবিতে একটি আন্দোলন হচ্ছিলো। কিন্তু সেখানে কী এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল যে, আমাদের ওপর গুলি চালাতে হলো?

শিক্ষকদের উদ্দেশ্য করে তারা বলেন, আপনাদের উপস্থিতিতে তখন পুলিশ আমাদের ওপর হামলা করে। চাইলে এর আগেই আপনারা আলোচনা করতে পারতেন। কিন্তু ছোট একটা ঘটনাকে আপনারা বড় করলেন। যে কারণে আজ আমরা ভিসির পদত্যাগ দাবি করছি। সুতরাং আলোচনার সময় এখন আর নাই। সহমর্মিতাও আমরা চাই না। আগে সংহতি জানান। তারপর কীভাবে উপাচার্যকে হঠানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা হবে।

শিক্ষার্থীদে সঙ্গে তৃতীয় বারের মতো সমঝোতায় ব্যর্থ হয়ে ফেরার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক . আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা চাই, একটি আইনগত জায়গায় আসতে। আইনের ঊর্ধ্বে কেউ না। আমরা শিক্ষার্থীদের এটা বুঝানোর চেষ্টা করছি।

এদিকে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সেখানে ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগ ছাড়া তারা আন্দোলন থেকে সরে দাড়াবে না বলে পুনরায় স্পস্ট করা হয়েছে।

রেডিওটুডে নিউজ/এমএস

সর্বশেষ

সর্বাধিক সবার কাছের