রোববার,

১৬ মে ২০২১

করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় বিএনপি নেতা মীর নাছিরের জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২:১৪, ৩ জানুয়ারি ২০২১

করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় বিএনপি নেতা মীর নাছিরের জামিন

বিএনপি নেতা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন। পুরোনো ছবি

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি বিবেচনা করে দুর্নীতির মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনকে জামিন দিয়েছে আপিল বিভাগ। এ আদেশের ফলে তার কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আজ রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনসহ চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে মীর নাছিরের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান জানান, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে মীর নাছিরকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত বিএনপি নেতা মীর নাছির গত ৮ নভেম্বর আত্মসমর্পণ করলে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২-এর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এরপর নাছির জামিন চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করলে গত ১৩ ডিসেম্বর শুনানি নিয়ে আদালত আবেদনটি ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত মুলতবি করে। আজ শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করে। দুর্নীতির মামলায় নাছিরকে বিচারিক আদালতের দেওয়া ১৩ বছর এবং তার ছেলে মীর হেলালকে দেয়া ৩ বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখে গত বছরের ১৯ নভেম্বর রায় দেয় হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের এ রায় বিচারিক আদালতে পৌঁছার তিন মাসের মধ্যে তাদের সেখানে (বিচারিক আদালত) আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়।

মীর নাসির ও মীর হেলাল আপিল বিভাগে আত্মসমর্পণ করে লিভ টু আপিল করেছিলেন। একই সঙ্গে জামিন চেয়েছিলেন। আপিল বিভাগ তাদের জামিন আবেদন খারিজ করে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মীর নাছির ও তার ছেলে মীর হেলালের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ৬ মার্চ রাজধানীর গুলশান থানায় দুদক মামলা করে। এ মামলায় বিশেষ জজ আদালত নাছিরকে ১৩ বছর ও মীর হেলালকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়।

বিচারিক আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে মীর নাসির ও মীর হেলাল হাইকোর্টে আলাদাভাবে আপিল করেন। ২০১০ সালের আগস্টে হাইকোর্ট মীর নাসির ও মীর হেলালের সাজা বাতিল করে রায় দেয়।

হাইকোর্টের রায় বাতিল চেয়ে আপিল আবেদন করে দুদক। শুনানি নিয়ে ২০১৪ সালের ৩ জুলাই আপিল বিভাগ হাইকোর্টের দেয়া রায় বাতিল করে। একই সঙ্গে বিচারিক আদালতের সাজার বিরুদ্ধে বাবা-ছেলের করা আপিল হাইকোর্টে আবার শুনানির নির্দেশ দেয়।

সম্পর্কিত বিষয়: